প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পটুয়াখালী সদর উপজেলায় ফজরের সুন্নত নামাজের দ্বিতীয় রাকাতে সেজদায় অবস্থায় মারা গেছেন হাফেজ মুহাম্মদ আতাউল্লাহ (৩৫) নামের এক ইমাম। এই হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে সোমবার (১৭ আগস্ট) ভোরে উপজেলার মৌকরন ইউনিয়নের শ্রীরামপুর বাজার মসজিদে।
হাফেজ মুহাম্মদ আতাউল্লাহ নিহত হন দুমকী উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মাওলানা আব্দুস সালামের একমাত্র সন্তান হিসেবে। তিনি পটুয়াখালীর জামিয়া আশরাফিয়া মাদ্রাসা থেকে পড়াশোনা শেষ করেছিলেন এবং দুই সন্তানের জনক ছিলেন।
স্থানীয় ও মুসল্লি সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো সোমবার ভোরেও শ্রীরামপুর বাজার মসজিদে ফজরের নামাজের জন্য উপস্থিত হন হাফেজ আতাউল্লাহ। তিনি ফরজ নামাজের আগে একা ফজরের সুন্নত নামাজ পড়া শুরু করেন। কিন্তু দ্বিতীয় রাকাতে সেজদায় যাওয়ার পর দীর্ঘ সময় পার হলেও তিনি আর উঠছিলেন না। বিষয়টি দেখে মুসল্লিরা কাছে এগিয়ে যান এবং তাঁকে নিথর অবস্থায় দেখতে পান। পরীক্ষা করে বোঝা যায়, সেজদারত অবস্থাতেই তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, আতাউল্লাহ প্রায় দেড় বছর ধরে শ্রীরামপুর বাজার মসজিদে ইমামতির দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি ধর্মীয় দায়িত্ব সততার সঙ্গে পালন করার পাশাপাশি আমায়িক ব্যবহার ও শান্ত স্বভাবের কারণে এলাকার সবার কাছে অত্যন্ত প্রিয় ও শ্রদ্ধাজন হয়ে উঠেছিলেন।
নিহতের মামাতো ভাই মহিবুল্লাহ কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, 'আতাউল্লাহ তার মা-বাবার একমাত্র সন্তান ছিলেন। তাঁর অবুঝ দুটি ছোট বাচ্চা রয়েছে। আতাউল্লাহকে হারিয়ে তাঁর পুরো পরিবার এখন দিশেহারা এবং শোকে বাকরুদ্ধ।'
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সোমবার জোহরের নামাজের পর দুমকীর শ্রীরামপুর বাজার মসজিদের সামনে হাফেজ আতাউল্লাহর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে এবং পরে আসরের নামাজের পর নিজ বাড়িতে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন