প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রাম নগরীতে শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশকে আরো বর্ণিল করে তুলতে ধর্মীয় সম্প্রীতি, সৃজনশীলতা ও নান্দনিক আয়োজনের স্বীকৃতি দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, উৎসবের সৌন্দর্য ও ঐতিহ্য ধারণ করে একটি সম্প্রীতিময় নগরী গড়ে তুলতে সব ধর্মের মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) নগরীর টাইগারপাসে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নগর ভবনে শারদ সম্মাননা পর্ষদের উদ্যোগে আয়োজিত প্রতিযোগিতায় নির্বাচিত সেরা পাঁচ পূজামণ্ডপের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকার ৪৬টি নিবন্ধিত পূজামণ্ডপের মধ্যে প্রতিযোগিতার ভিত্তিতে সেরা পাঁচটি মণ্ডপ নির্বাচন করা হয়। এ লক্ষ্যে চট্টগ্রামের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত দুটি বিশেষ জুরি প্যানেল সরেজমিনে মণ্ডপগুলো পরিদর্শন করে নিরপেক্ষ মূল্যায়নের মাধ্যমে বিজয়ীদের চূড়ান্ত করে।
প্রতিযোগিতায় নির্বাচিত সেরা পাঁচ পূজামণ্ডপ হলো গোসাইলডাঙ্গা সার্বজনীন শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দির (থিম : ভাড়), উত্তর কাট্টলী জ্বালাকুমারী বাড়ি (থিম : জল দুয়ার), খলিফাপট্টি সার্বজনীন পূজা উদযাপন পরিষদ (থিম : রক্তাঞ্জলী),
পতেঙ্গা শ্যামা সংঘ, হিন্দুপাড়া শ্মশান শিব ও কালী মন্দির (থিম : যুগান্তরের বার্তাবহন) এবং দক্ষিণ নালাপাড়া পূজা উদযাপন পরিষদ (থিম : আত্মকথন)।
মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসব শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীক। তিনি জানান, চট্টগ্রাম সব সময় ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের সহাবস্থান ও সম্প্রীতির নগরী। পূজামণ্ডপের সৃজনশীলতা, নান্দনিকতা ও ব্যতিক্রমী আয়োজনকে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে আয়োজকদের আরো উৎসাহিত করতে চান তারা। তাদের লক্ষ্য হলো, চট্টগ্রামকে এমন একটি নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও সম্প্রীতিময় নগরী হিসেবে গড়ে তোলা, যেখানে প্রত্যেক ধর্মের মানুষ নির্বিঘ্নে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব উদযাপন করতে পারবেন।
বিচারকমণ্ডলী নিবন্ধিত মণ্ডপগুলোর শিল্পমান, থিমের গভীরতা, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব উপকরণের ব্যবহার, দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে নিরপেক্ষ মূল্যায়ন সম্পন্ন করেন।
বিচারপ্রক্রিয়া প্রসঙ্গে জুরি প্যানেলের সদস্য চিত্রশিল্পী আহমেদ নেওয়াজ বলেন, প্রতিটি মণ্ডপের থিম, নান্দনিকতা ও শিল্পভাবনা ছিল প্রশংসনীয়।
বিচারকরা জানান, প্রতিটি মণ্ডপই নিজস্ব সৃজনশীলতায় অনন্য ছিল। নান্দনিকতা ও সামাজিক বার্তার সমন্বয় বিবেচনা করেই সেরা পাঁচটি মণ্ডপ নির্বাচন করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন