প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ৬ অক্টোবর, ২০২৬ : সম্প্রতি নিরস্ত্রীকৃত অঞ্চলে (ডিএমজেড) মাইন বিস্ফোরণের ফলে তিন সেনা আহত হওয়ার ঘটনায় উত্তর কোরিয়াকে ক্ষমা চাওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগের বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করছে দক্ষিণ কোরিয়া। এ তথ্য মঙ্গলবার দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়।
বার্তা সংস্থা এএফপি সিউল থেকে জানায়, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাতিসংঘের যৌথ তদন্তে উঠে এসেছে যে, গত মাসে ডিএমজেডে বিস্ফোরিত দুটি মাইন প্রায় এক বছর আগে উত্তর কোরিয়ার সেনারা পুঁতে রেখেছিল। এই প্রেক্ষাপটে সিউল আনুষ্ঠানিকভাবে পিয়ংইয়ংয়ের প্রতি ক্ষমা চাইতে আহ্বান জানায়।
ডিএমজেডের মধ্য দিয়ে যাওয়া সামরিক সীমারেখার (এমডিএল) দক্ষিণ পাশে উত্তরের পুঁতে রাখা অন্যান্য মাইনগুলোও সরানোর জন্য পরমাণু অস্ত্রধারী দেশটির প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার পক্ষ থেকে। ১৯৫৩ সালের যুদ্ধবিরতির পর থেকে ডিএমজেড কোরীয় উপদ্বীপকে বিভক্ত করে রেখেছে এবং এটি অত্যন্ত সুরক্ষিত সীমান্ত এলাকা হিসেবে পরিচিত।
তবে পিয়ংইয়ং এ ঘটনার জন্য দায় অস্বীকার করেছে। উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের প্রভাবশালী বোন কিম ইয়ো জং ক্ষমা চাওয়ার আহ্বানকে ‘জঘন্য’ বলে নিন্দা করেছেন।
মঙ্গলবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র চুং বিন-না বলেন, পিয়ংইয়ংকে ক্ষমা চাইতে চাপ প্রয়োগের জন্য অতিরিক্ত কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে কি না—এ বিষয়ে ‘কোনো বিকল্পই আমরা উড়িয়ে দিচ্ছি না এবং কোনো কিছু আগাম ধরে নিচ্ছি না।’
তবে তিনি কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি বিন-না।
ডিএমজেডে মাইন বিস্ফোরণের ঘটনা এর আগে দুই কোরিয়ার মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি করেছে। দুই দেশ এখনও কারিগরি অর্থে যুদ্ধে রয়েছে।
২০১৫ সালে ডিএমজেডের দক্ষিণ পাশে মাইন বিস্ফোরণে দক্ষিণ কোরিয়ার দুই সেনা গুরুতর আহত হন, তাদের একজন দুই পা হারান।
সে সময় সিউল জানিয়েছিল, উত্তর কোরিয়ার সেনারা এমডিএল অতিক্রম করে মাইন পুঁতে রেখেছিল। তবে পিয়ংইয়ং ওই অভিযোগ অস্বীকার করে।
২০২৪ সাল থেকে সীমান্ত পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে উত্তর কোরিয়ার সেনারা সীমান্তজুড়ে মাইন পাতা এবং ট্যাংকবিরোধী প্রতিবন্ধক নির্মাণ করছে।
এ কার্যক্রমের সময় উত্তর কোরিয়া আন্তঃকোরীয় যোগাযোগের পুরোনো সড়কগুলোর উত্তর অংশও বিস্ফোরণে উড়িয়ে দেয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন