প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের সিনেটের ১২ নম্বর আসনে জয়লাভ করেছেন আবের কাওয়াস। নিউইয়র্ক টাইমস ৯০ শতাংশ ভোট গণনার পর তার জয় নিশ্চিত করে। গণনা হওয়া ভোটের ৭৫ শতাংশ তিনি পেয়েছেন।
এই বিজয়ের মাধ্যমে কাওয়াস ইতিহাস গড়েছেন। তিনি প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান নারী, যিনি নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের আইনসভায় দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছেন।
এখন আবের কাওয়াসের নাম যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের আইনসভায় নির্বাচিত হওয়া ফিলিস্তিনি-আমেরিকানদের ছোট তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলো।
জয়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ কাওয়াস একটি সংক্ষিপ্ত বার্তা পোস্ট করেন, "আমরা ইতিহাস গড়েছি।"
নির্বাচনী প্রচারে কাওয়াসের স্লোগান ছিল, "মর্যাদায় বিনিয়োগ, ধ্বংসের বিরুদ্ধে লড়াই।"
"মর্যাদায় বিনিয়োগ" বলতে তিনি সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং সাশ্রয়ী আবাসনের পক্ষে তার অবস্থান তুলে ধরেন।
অন্যদিকে, "ধ্বংসের বিরুদ্ধে লড়াই" স্লোগানের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষা এবং যুদ্ধের পেছনে অর্থ ব্যয় বন্ধের পক্ষে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন কাওয়াস।
কাওয়াস ডেমোক্র্যাটিক সোশ্যালিস্টস অব আমেরিকার (ডিএসএ) সদস্য। গত বছর নিউইয়র্ক সিটির মেয়র নির্বাচনে সংগঠনটির সদস্য জোহরান মামদানি ঐতিহাসিক জয় পাওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে সংগঠনটি অভূতপূর্ব অগ্রগতি অর্জন করেছে।
এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ডিএসএর ক্রমবর্ধমান প্রার্থীদের তালিকায় কাওয়াসও ছিলেন। তার প্রতি সমর্থন জানান বেশ কয়েকজন প্রগতিশীল ডেমোক্র্যাট নেতা। তাদের মধ্যে নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি, সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স এবং কংগ্রেসওম্যান রাশিদা তালিব অন্তর্ভুক্ত।
কাওয়াসের এই জয় যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে ফিলিস্তিনপন্থী জনগোষ্ঠীর ক্রমবর্ধমান প্রভাবের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন