প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালির উত্তরাঞ্চলে, সশস্ত্র তুয়ারেগ বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হামলায় অন্তত ৫০ সেনার প্রাণহানি ঘটেছে। এ ঘটনায় আরও অন্তত ২৪ সেনাকে বন্দী করা হয়েছে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।
স্থানীয় ও সামরিক সূত্রগুলো এএফপিকে জানিয়েছে, কয়েক সপ্তাহ ধরে শহরটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষ চলার পর গত শনিবার আনেফিস ত্যাগ করা সেনাবাহিনীর একটি বহরে হামলা চালানো হয়। জুলাইয়ের শুরুতে কেবল তুয়ারেগ বিদ্রোহী গোষ্ঠী এফএলএ এবং আল-কায়েদা-সংশ্লিষ্ট জেএনআইএম অল্প সময়ের জন্য শহরটি দখল করে নেয়। তারা মালির সেনাবাহিনী ও রুশ-সমর্থিত আফ্রিকা কোর বাহিনীর ব্যবহৃত একটি সামরিক ঘাঁটিও ঘিরে ফেলেছিল। পরবর্তীতে জেএনআইএম ও এফএলএ উভয়েই হামলার দায় স্বীকার করে।
সামরিক সরকারের ঘনিষ্ঠ এক স্থানীয় কর্মকর্তা এএফপিকে জানিয়েছেন, হামলায় ৫০ জনের বেশি সেনা নিহত হয়েছেন এবং অন্তত ২৪ জনকে বন্দি করা হয়েছে। তাঁর মতে, সাম্প্রতিক বছরের অভিজ্ঞতার আলোকে, মালির সেনাবাহিনীর ওপর এটি সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলাগুলোর মধ্যে একটি।
মালির সেনাবাহিনীর একটি সূত্র জানিয়েছে, হামলায় তাদের সদস্যদের সরাসরি লক্ষ্য করে হত্যা করা হয়েছে। কী কারণে সেনারা এতটা অরক্ষিত হয়ে পড়েছিলেন, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত চলছে।
সূত্রগুলোর মতে, সেনাবাহিনীকে সহায়তাকারী রুশ আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যরা হামলার আগেই গাও শহরে পৌঁছে গিয়েছিলেন। ফলে তাদের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। গাও অঞ্চলের এক কমিউনিটি নেতা বলেন, নিহতদের মধ্যে কেউ রুশ নাগরিক নন। সবাই মালির সেনাবাহিনী ও রাষ্ট্র-সমর্থিত মিলিশিয়া বাহিনীর সদস্য।
মালির সেনাবাহিনী স্বীকার করেছে, তাদের বহর একটি অতর্কিত হামলার মুখে পড়েছিল। যদিও তারা হতাহতের সংখ্যা প্রকাশ করেনি।
২০২০ ও ২০২১ সালে পরপর দুটি সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে মালি সামরিক সরকারের অধীনে রয়েছে। দীর্ঘদিনের জিহাদি ও বিচ্ছিন্নতাবাদী সহিংসতা দমনে এবং দেশের নিরাপত্তা পুনরুদ্ধারে, সামরিক জান্তা এখনো বড় চ্যালেঞ্জে রয়েছে। সূত্র: আল-জাজিরা, রয়টার্স
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন