প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
৫২ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে এসে নতুন এক ইতিহাস গড়লো ডিআর কঙ্গো। শক্তিশালী পর্তুগালকে ১-১ গোলে রুখে দিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপে দুর্দান্ত সূচনা করলো মধ্য আফ্রিকার দেশটি। পুরো ম্যাচের মধ্যে কোনো শট নিয়েই মাঠে ছিলেন না পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। যেন তিনি মাঠে ছিলেন না বলেই মনে হচ্ছিল।
বুধবার (১৭ জুন) বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা নাগাদ টেক্সাসের হিউস্টনে মুখোমুখি হয়ে পড়েছিল দুই দল।
ম্যাচের শুরু থেকেই পর্তুগালের আধিপত্য দেখতে পাওয়া যায়। ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে পেদ্রো নেতোর বাম দিক থেকে ভাসানো নিখুঁত ক্রসে জোয়াও নেভেস হেড করে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। তবে শুরুতে পিছিয়ে পড়লেও ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরে ডিআর কঙ্গো। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে আসে ম্যাচের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। কর্নার থেকে ডান দিক দিয়ে আসা বল ফার পোস্টে পেয়ে শক্তিশালী হেডে জাল খুঁজে নেন উইসা। সেই গোলেই বিশ্বকাপ ইতিহাসে নিজেদের প্রথম গোলের দেখা পায় ডিআর কঙ্গো। দ্বিতীয়ার্ধে গোল করতে মরিয়া হয়ে ওঠে পর্তুগাল। ম্যাচের ৫৫ মিনিটে দুর্দান্ত একটি গোল করছিলেন জোয়াও ক্যানসেলো। কিন্তু সেটা অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। এরপর থেকে আর কোনো দলই গোল করতে পারেনি। ফলে নির্ধারিত সময় শেষে ১-১ গোলের সমতায় শেষ হয় ম্যাচটি।
ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ম্যাচে মাঠে থাকা অবস্থায়ও জ্বলে উঠতে পারেননি পর্তুগিজ সুপারস্টার রোনালদো।
ম্যাচে মোট ২৫ বার বলের টাচ করলেও ২১টি সহায়ক পাস দেন রোনালদো। এর মধ্যে ১৬টি ছিল ব্যাক পাস। দুইবার ফুট শট নেওয়ার চেষ্টা করলেও সেগুলো গোলবারের বাইরে চলে যায়। গোলমুখে কোনো শট নিয়েই মাঠে ছিলেন না তিনি। ফলে এর ফলে স্বাভাবিকভাবেই রোনালদোর এ ধরনের পারফরম্যান্সে হতাশ হয়ে পড়েন পর্তুগাল ভক্তরা।
যদিও বাজে পারফরম্যান্সের পরেও এদিন লিওনেল মেসির পর দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে ষষ্ঠ বিশ্বকাপে খেলার কীর্তি গড়েছেন রোনালদো। ২০০৬ সালে বিশ্বকাপে অভিষেক করার পর ২০১০, ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ এবং ২০২৬—ছয়টি বিশ্বকাপে মাঠে নামলেন পর্তুগিজ মহাতারকা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন