প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভেনেজুয়েলা বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ জ্বালানি কোম্পানি শেলকে প্রাকৃতিক গ্যাস অনুসন্ধান ও রপ্তানির লাইসেন্স দিয়েছে।
এই অনুমোদনের মাধ্যমে কোম্পানিটি দেশটির বিশাল গ্যাস সম্পদ ব্যবহার করে উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রম শুরু করতে সক্ষম হবে।
এটি সম্পর্কে তথ্য প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
মার্কিন সামরিক অভিযানে ভেনেজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার পর তাকেই অবরুদ্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্রের চাপে অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ জানুয়ারিতে ভেনেজুয়েলার আইনসভায় একটি সংস্কার আইন পাস করেন। এই আইনের মাধ্যমে খাতটি বিদেশি বিনিয়োগের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।
রদ্রিগেজ জানিয়েছেন, শেল কোম্পানি ২৩ বছর ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা লোরান গ্যাসক্ষেত্র উন্নয়ন করবে। এই ক্ষেত্রটিতে সাতটি প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ আছে। সেই সাতটি মজুদ এর মধ্যে ছয়টি ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর সঙ্গে সামুদ্রিক সীমান্ত বরাবর অবস্থান করছে।
তিনি যোগ করেন, এই প্রকল্প ভেনেজুয়েলাকে গ্যাস উন্নয়ন এবং গ্যাস রপ্তানিকারক হিসেবে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে।
ধারণা করা হয়, ভেনেজুয়েলার কাছে বিশ্বের বৃহত্তম তেল মজুদ রয়েছে এবং দেশটি প্রাকৃতিক গ্যাসের ক্ষেত্রেও সমৃদ্ধ।
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন তেল কোম্পানি পিডিভিএসএ জানিয়েছে, শেলের প্রতিনিধিরা বৃহস্পতিবার সকালে দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মোনাগাস রাজ্যে অবস্থিত গ্যাস প্রক্রিয়াকরণ ও বিতরণ কেন্দ্র মুসকার অপারেশনাল কমপ্লেক্সটি পরিদর্শন করেছেন।
২০২৩ সালে ভেনেজুয়েলা এবং ত্রিনিদাদ ও টোবাগো শেল-এর সাথে ড্রাগন নামের একটি ক্ষেত্র থেকে গ্যাস উৎপাদন ও রপ্তানির জন্য চুক্তি স্বাক্ষর করে। এই ক্ষেত্রে ১২০ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস মজুদ রয়েছে। ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক আরোপিত তেল নিষেধাজ্ঞার সময় এটি অনিয়মিতভাবে চালু ছিল।
রদ্রিগেজ প্রশাসন ব্রিটেনের বিপি এবং স্পেনের রেপসলসহ বিশ্বের বেশ কয়েকটি শীর্ষতেল কোম্পানির সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন