প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নেত্রকোণার মদন উপজেলায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে শুরু হয়েছে। এবারের দুর্গাপূজা ১টি পৌরসভা ও ৮টি ইউনিয়নে মোট ১৯টি পূজা মণ্ডপে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
উপজেলা প্রশাসন থেকে পাওয়া চূড়ান্ত ও যাচাইকৃত তালিকা অনুযায়ী, ইতোমধ্যে মণ্ডপগুলোতে প্রতিমা স্থাপন ও পূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়ে গেছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট ও পূজা উদযাপন ফ্রন্টের মদন উপজেলা শাখার নেতাদের সমন্বয়ে গঠিত দল মাঠপর্যায়ে যাচাই-বাছাই করে এ বছরের পূজা মণ্ডপের তালিকা চূড়ান্ত করেছে। নিরাপত্তার স্বার্থে তালিকাভুক্ত প্রতিটি মণ্ডপকে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ ও ‘অধিক গুরুত্বপূর্ণ’—এই দুই শ্রেণিতে বিন্যাস করা হয়েছে।
প্রশাসন জানিয়েছে, সবকটি মণ্ডপের নিরাপত্তা পরিস্থিতি বর্তমানে পুরোপুরি সুরক্ষিত রয়েছে। দুর্গাপূজা উপলক্ষে ইতোমধ্যে ১৭টি মণ্ডপের প্রতিটিতে ৬০০ কেজি করে সরকারি বরাদ্দের চাল সুষমভাবে বিতরণ করা হয়েছে। বাকি দুটি মণ্ডপের বরাদ্দও দ্রুত পৌঁছে যাবে বলে জানা গেছে।
১৬ অক্টোবর (শুক্রবার) মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই উৎসব আগামী ২১ অক্টোবর (বুধবার) বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে শেষ হবে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়ে মদন থানার ওসি সালাউদ্দিন করিম জানান, প্রতিটি পূজা মণ্ডপের সুরক্ষায় আলাদা পুলিশ কর্মকর্তা নিয়োজিত রাখা হয়েছে। এর পাশাপাশি নিয়মিত টহলের জন্য একাধিক মোবাইল টিম প্রস্তুত রয়েছে। আশা করা হচ্ছে, অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও সুন্দর পরিবেশে দুর্গাপূজা সম্পন্ন হবে।
সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাদির হোসেন শামীম জানান, এবার মদনে ১৯টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা পালিত হচ্ছে। আনসার, গ্রাম পুলিশ ও পুলিশের সমন্বয়ে বহুস্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিরাও সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন