প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন মিডটার্ম নির্বাচনের পর ভোটের ফল প্রকাশের সময় নিয়ে নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের উদ্বেগের মূল কারণ হলো, ভোট গণনার এই অন্তর্বর্তী সময়টিকে ব্যবহার করে ফলাফলকে প্রশ্নবিদ্ধ করার বা পাল্টে দেওয়ার চেষ্টা করতে পারেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের সহযোগীরা।
অনেক রাজ্যে ভোট গ্রহণের পর চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করতে কয়েক দিন বা সপ্তাহ সময় লেগে যায়। সাবেক সরকারি কর্মকর্তাদের মতে, এই ফল প্রকাশের বিলম্বের সময়টিই সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ, এই সময়ের মধ্যে ট্রাম্পের অনুগতরা বিভিন্ন ভুয়া অভিযোগ তুলে মানুষের মনে সন্দেহের বীজ বুনে দিতে পারেন।
পূর্বে ট্রাম্প প্রশাসন মেইল-ইন ভোটের ওপর কড়াকড়ি আরোপের চেষ্টা করলেও সুপ্রিম কোর্ট তা আটকে দেয়। ফলে আইনি পথ সংকুচিত হয়ে আসায় এখন এই ‘গণনা উইন্ডো’ বা অপেক্ষার সময়টিকে ঘিরে ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সাধারণত নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দারা নীরবতা বজায় রাখলেও, এবার তার ব্যতিক্রম দেখা যাচ্ছে। ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ভোটার তালিকা যাচাইয়ের নামে বিভিন্ন বিতর্কিত পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার ভিত্তিহীনভাবে বিদেশি হস্তক্ষেপ বা কারচুপির অভিযোগ করা হলেও, গোয়েন্দা বিশেষজ্ঞরা স্পষ্ট করেছেন যে অতীতে কখনো ভোট গণনার কারিগরি প্রক্রিয়ায় সরাসরি কোনো দেশ হস্তক্ষেপ করেনি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসন মুখে সাইবার নিরাপত্তার কথা বললেও সিআইএসএ-তে নির্বাচন নিরাপত্তা সংক্রান্ত বাজেট ও কর্মী সংখ্যা কমিয়ে দিয়েছে। তবুও, রাজ্য পর্যায়ের নির্বাচন কর্মকর্তারা যেকোনো কৃত্রিম বিতর্ক ও বিশৃঙ্খলা এড়াতে ভোটারদের আগে থেকেই সচেতন করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন