প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকার সাভারের আমিনবাজারের বরদেশী এলাকায় পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) উপপরিদর্শক (এসআই) আলতাফ হোসেন নিহতের ঘটনায় তদন্তে নতুন অগ্রগতি হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। মামলার প্রধান আসামি জহুরুলকে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৫ সেপ্টেম্বর রাতে আমিনবাজারের বরদেশী এলাকায় একটি অটোরিকশা রাখা নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে গেলে এসআই আলতাফ হোসেন হামলার শিকার হন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পরপরই সাভার মডেল থানা পুলিশ ও র্যাব পৃথকভাবে অভিযান শুরু করে। র্যাব জানিয়েছে, মামলায় নাম থাকা কয়েকজনকে আমিনবাজার ও মুন্সীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তবে এসব অভিযোগ তদন্ত ও আদালতের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যাচাই করা হবে।
এদিকে মামলার প্রধান আসামি জহুরুলকে আদালতে হাজির করে তদন্তের স্বার্থে রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত তাকে পাঁচ দিনের পুলিশ রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন।
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ঘটনার মূল কারণ, হামলায় প্রত্যেক অভিযুক্তের ভূমিকা এবং ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত ছিল কি না—এসব বিষয় গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।
কেন ঘটনাটি গুরুত্বপূর্ণ?
সাভারের আমিনবাজার এলাকায় একজন কর্মরত পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুর ঘটনায় স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ঘটনার পর দ্রুত অভিযান চালিয়ে একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার এবং প্রধান আসামিকে রিমান্ডে নেওয়ার বিষয়টি তদন্তকে নতুন পর্যায়ে নিয়ে গেছে।
তবে তদন্ত শেষ না হওয়া এবং আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আইনগতভাবে দোষী হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন