প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকর ধর্ম ও ভাষার ভিন্নতা সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা প্রদান করেছেন। তিনি বলেন, "ধর্ম ও ভাষার ভিন্নতা মানুষের মধ্যে বিভেদ নয়, বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতির বন্ধন তৈরি করুক।" তাঁর মতে, একে অপরের ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতি সম্মান দেখালে বিরোধ ও সংঘাতের অবসান ঘটানো সম্ভব।
২০২৪ সালের ২০ মার্চ ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের ম্যাঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠিত একটি ছয় দিনব্যাপী নাট্য উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন নানা পাটেকর। সেন্ট অ্যালয়েশিয়াস কলেজে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা প্রকাশ রাজও। বক্তব্যের এক পর্যায়ে পাশের মসজিদ থেকে আজানের ধ্বনি শুনতে পান তিনি। এরপর ধর্মীয় সম্প্রীতির গুরুত্ব তুলে ধরে নিজের অভিজ্ঞতা ও উপলব্ধির কথা জানান।
নানা পাটেকর তাঁর স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে বলেন, "ছোটবেলায় তাঁদের গ্রামেও ভোরে আজানের ধ্বনি শুনতেন তিনি।" তাঁর কাছে সেই ধ্বনি ছিল প্রশান্তিদায়ক। অভিনেতা উল্লেখ করেন, "মানুষ যখন একে অপরের ধর্মকে সম্মান করতে শিখবে, তখন অনেক সংঘাতের অবসান ঘটবে।" তিনি জানান, নিজের অভিনীত চলচ্চিত্রেও এ ধরনের বার্তা তুলে ধরার চেষ্টা করেন।
ভাষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার আহ্বান জানান এই অভিনেতা। তাঁর মতে, ভাষা মানুষকে কাছাকাছি নিয়ে আসে এবং পারস্পরিক ঐক্য ও সংহতি গড়ে তুলতে সাহায্য করে। ভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতির মানুষের মধ্যে বোঝাপড়া বাড়লে সমাজে বিভেদ কমানো সহজ হয়।
নাটক ও অভিনয়ের সামাজিক ভূমিকা নিয়েও কথা বলেন নানা পাটেকর। তিনি বলেন, "মঞ্চ এমন একটি জায়গা, যেখানে সমাজের নানা অসংগতি নিয়ে নিজের মত প্রকাশ করা যায়।" সঠিক ভাষা ও দায়িত্বশীল উপস্থাপনার মাধ্যমে নাটক মানুষের চিন্তাভাবনায় প্রভাব ফেলতে পারে। তাঁর বক্তব্যে ধর্মীয় সহনশীলতা, ভাষার প্রতি সম্মান এবং সামাজিক ঐক্যের গুরুত্ব উঠে আসে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন