প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গাজায় যুদ্ধ-পরবর্তী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক বাহিনীতে সৈন্য পাঠানোর জন্য উগান্ডার সরকার সংসদের অনুমোদন চেয়েছিল। বৃহস্পতিবার ওই সংসদ সেই অনুমোদন প্রদান করেছে।
প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে জানানো হয়েছে যে উগান্ডা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ প্রস্তাবিত ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স ফর গাজাতে অংশ নেওয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এর আগে মরক্কোও এই বাহিনীতে সৈন্য পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
তবে উগান্ডা কেন এই মিশনে প্রবেশ করছে বা এর বিনিময়ে কোনো চুক্তি হয়েছে কিনা, তা স্পষ্ট নয়। এ বিষয় নিয়ে দেশটির বিরোধী দলের কয়েকজন আইনপ্রণেতা প্রশ্ন তুলেছেন।
সংসদ সদস্য হাসান কিরুমিরা বলেন, ওআইসি সদস্য একটি দেশের জন্য এ ধরনের সিদ্ধান্ত কূটনৈতিক জটিলতা তৈরি করতে পারে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘আমাদের সেনাবাহিনী গাজায় কোন পক্ষের হয়ে কাজ করবে?’
প্রতিরক্ষামন্ত্রী জ্যাকব কিরিওওয়া কিওয়ানুকা সংসদে উল্লেখ করে বলেন, সোমালিয়াসহ বিভিন্ন দেশে শান্তিরক্ষা মিশনে অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা থাকার কারণে উগান্ডার সেনাবাহিনী এ ধরনের দায়িত্ব পালনে সক্ষম। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রস্তাবিত এই ২০ হাজার সদস্যের আন্তর্জাতিক বাহিনীর নেতৃত্ব দিতে মার্কিন মেজর জেনারেল জ্যাসপার জেফার্স নিযুক্ত হবে। তার মতে, এই বাহিনী গাজায় দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় কাজ করবে।
গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের একটি চুক্তির ঘোষণা দেন। সেই চুক্তির অনুযায়ী, ইসরায়েলি সেনাদের ধাপে ধাপে প্রত্যাহার শেষ হলে আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী গাজায় মোতায়েন করা হবে।
এই চুক্তি গত বছরের বৃহত্তর যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ। এতে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান বন্ধ রাখা এবং হামাস ও তার মিত্রদের সব ধরনের সশস্ত্র কার্যক্রম বন্ধ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়ার একটি প্রাথমিক রূপরেখাও দেওয়া হয়েছে।
তবে চুক্তির খসড়া প্রকাশ হওয়ার পর ইসরায়েল জানিয়েছে, তাদের এ নিয়ে গুরুতর নিরাপত্তা উদ্বেগ আছে এবং তারা সেই উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রের কাছেও জানিয়েছে।
অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় ১,২৫০ জন নিহত হয়েছে। দুই বছর ধরে চলা ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধের বড় ধরনের সংঘর্ষেই এই যুদ্ধবিরতি চুক্তির মাধ্যমে সমাপ্ত হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন