প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ক্যাভান সুলিভান নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে মোটেও সন্তুষ্ট নন। যদিও ব্যক্তিগত হতাশার রাতেও, যুক্তরাষ্ট্রের এই ১৭ বছর বয়সী প্রতিভা মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) ইতিহাস গড়েছেন। শিকাগো ফায়ারকে ৩-১ গোলে পরাজিত করে ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়ন টানা অষ্টম জয় অর্জন করেছে তাঁর অ্যাসিস্টের মাধ্যমে।
সোলজার ফিল্ডে অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথম গোলটি সুলিভান ব্রুনো দামিয়ানিকে দিয়ে করান। এই অ্যাসিস্টের ফলে ২০২৬ মৌসুমে তাঁর গোল-ইনভলভমেন্ট ২১টিতে পৌঁছেছে—যার মধ্যে রয়েছে ৭ গোল ও ১৪ অ্যাসিস্ট। ফলে, এক মৌসুমে কোনো কিশোর ফুটবলারের সর্বোচ্চ গোল-ইনভলভমেন্টের রেকর্ডটি তিনি নিজের করে নিয়েছেন।
ফিলাডেলফিয়ার পূর্ববর্তী ম্যাচে, সুলিভান ডিয়েগো ফাগুন্দেজের ২০১৩ সালের ২০ গোল-ইনভলভমেন্টের রেকর্ড স্পর্শ করেছিলেন। এবার শিকাগোর বিপক্ষে অ্যাসিস্ট করে সেটিকে ছাড়িয়ে যান তিনি।
তবে, রেকর্ড গড়ার পরও সুলিভান নিজের পারফরম্যান্সে খুশি নন। তিনি ম্যাচে চারটি শট নিয়েও গোল করতে পারেননি। তাঁর পাসিং সাফল্য ছিল ৭৫ শতাংশ—৪৭টি পাসের মধ্যে ২৮টি সফল ছিল। ম্যাচ শেষে, এই কিশোর নিজের পারফরম্যান্সকে ‘ভয়াবহ’ বলে বর্ণনা করেন।
সুলিভান জানান, তিনি রেকর্ড বা পরিসংখ্যান নিয়ে খুব একটা ভাবছেন না। জয় পেয়ে খুশি হলেও, নিজের খেলা নিয়ে আরও বিশ্লেষণ করতে চান। ম্যাচের ভিডিও দেখে কোথায় উন্নতি করা প্রয়োজন, সেটি খুঁজে বের করার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে, ইউনিয়নের অন্তর্বর্তীকালীন কোচ রায়ান রিখটার সুলিভানের পারফরম্যান্স নিয়ে অনেক বেশি ইতিবাচক ছিলেন। তাঁর মতে, প্রতি সপ্তাহেই সুলিভানের জন্য নতুন কোনো অর্জন সামনে আসছে। গোল ও অ্যাসিস্টের মাধ্যমে ম্যাচের ফলাফলে সরাসরি প্রভাব রাখার পাশাপাশি, তাঁর পরিশ্রম ও সৃজনশীলতাও প্রশংসিত হয়েছে।
ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়ন টানা আট জয়ে ইস্টার্ন কনফারেন্সে ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে। স্বয়ংক্রিয় প্লে-অফ জায়গার বাইরে থাকা দলগুলোর চেয়ে তারা নয় পয়েন্ট এগিয়ে। নিয়মিত মৌসুমে আর পাঁচটি ম্যাচ বাকি থাকায়, রাউন্ড-ওয়ানে জায়গা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সাত পয়েন্ট প্রয়োজন তাদের। চার পয়েন্ট পেলেই ওয়াইল্ড-কার্ড নিশ্চিত হয়ে যাবে।
এদিকে, ওয়েস্টার্ন কনফারেন্সে ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপসের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেও প্লে-অফ নিশ্চিত করেছে সেন্ট লুইস সিটি। একই সঙ্গে, নিয়মিত মৌসুমে টানা ১৯ ম্যাচ অপরাজিত থেকে এমএলএসের সর্বকালের রেকর্ডে আরও একটি নাম যুক্ত করেছে তারা।
এর আগে কলম্বাস ক্রু (২০০৪-০৫), এফসি ডালাস (২০১০) ও ইন্টার মায়ামি (২০২৪-২৫) নিয়মিত মৌসুমে ১৯ ম্যাচের অপরাজিত ধারা গড়েছিল। ফলে, সেন্ট লুইসের অর্জন এখন তাদের সঙ্গে যৌথভাবে এমএলএসের সর্বোচ্চ।
তবে, সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে সেন্ট লুইসের টানা ২১ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ড এককভাবে এমএলএসের সর্বোচ্চ। ২০১৬ সালে নিউইয়র্ক রেড বুলসের গড়া ২০ ম্যাচের রেকর্ড ছাড়িয়ে নতুন ইতিহাস তৈরি করেছে তারা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন