প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুর রহমানকে মারধর, ভয়ভীতি দেখানো, হুমকি ও চাঁদা দাবির অভিযোগে করা মামলায় আদালত আরো দুই আসামির তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।
রিমান্ডে নেওয়া দুই আসামি হলেন— সাব্বির হোসেন (১৮) ও ফাহিম ইসরাক লাবিব (২০)।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত তাদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক রোকনুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্টন মডেল থানার উপপরিদর্শক মো. আতিকুজ্জামান দুই আসামিকে আদালতে হাজির করে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের ১০ দিন করে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেছিলেন। শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, আসামিরা রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় চাঁদা আদায়ের একটি চক্রের সক্রিয় সদস্য। মামলার ঘটনার সঙ্গে গ্রেপ্তার দুই আসামির প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত থাকার সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। মামলার তদন্ত চলমান থাকায় ঘটনার বিষয়ে আরো তথ্য উদঘাটন এবং জড়িত অন্যদের শনাক্ত করতে তাদের রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ আগস্ট রাত ১০টার দিকে রাজধানীর পল্টন মডেল থানার শান্তিনগর এলাকার পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের চেম্বার থেকে বের হয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠেন চিকিৎসক আসাদুর রহমান।
অটোরিকশাটি কিছুদূর যাওয়ার পর চার ব্যক্তি তার পথরোধ করেন। তারা অটোরিকশার দরজা খুলতে বলেন।
চিকিৎসক দরজা না খোলার জন্য চালককে বললেও একপর্যায়ে চালক দরজা খুলে দেন। এরপর ওই ব্যক্তিরা চিকিৎসক আসাদুর রহমানকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তার মাথা, দুই চোখের ওপরে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়।
চিকিৎসকের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে একজনকে আটক করা হয়। অন্যরা পালিয়ে যান। খবর পেয়ে পল্টন থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত চিকিৎসককে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ১৮ আগস্ট চিকিৎসক আসাদুর রহমান বাদী হয়ে পল্টন থানায় মামলা করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন