প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বিদ্যুৎ উৎপাদনে যেতে পারছে না, যদিও বারবার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে কারিগরি সমস্যার কারণে উৎপাদন শুরুর সময় পিছিয়ে যাওয়ার পর, বর্তমানে রাশিয়া থেকে দ্বিতীয় ইউনিটের জ্বালানি ইউরেনিয়াম আনতে সমস্যা দেখা দিয়েছে।
আকাশপথ ব্যবহারের অনুমতি (এয়ারস্পেস ক্লিয়ারেন্স) না পাওয়ার কারণে রাশিয়া থেকে ইউরেনিয়ামবাহী কার্গো উড়োজাহাজটি বাংলাদেশে পৌঁছাতে পারেনি।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নির্ধারিত দিনে, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউরেনিয়াম গ্রহণের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন ছিল, তবে উড়োজাহাজটি অবতরণ করেনি।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, "ইউরেনিয়াম গ্রহণের জন্য আমাদের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন ছিল এবং আমরা বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছিলাম; কিন্তু কার্গো বিমান না আসায় রুশ রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি সংস্থা রোসাটমের লিয়াজোঁ কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করি।" তিনি আরও বলেন, "তিনি জানান- আকাশপথ ক্লিয়ার না থাকায় কার্গো বিমানটি রওনা দিতে পারেনি।"
তবে, আকাশপথ ব্যবহারের অনুমতি মেলেনি কেন, সেই বিষয়ে ওই কর্মকর্তা বিস্তারিত কিছু জানাতে পারেননি। ইউরেনিয়ামের চালান না আসার কারণ জানতে রোসাটমের প্রতিনিধির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
রাশিয়ার সহায়তায় পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুরে দেশের প্রথম ২ হাজার ৪শ মেগাওয়াট ক্ষমতার পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে। ২০২৩ সালে প্রথম ইউনিটের জ্বালানি ইউরেনিয়ামের চালান বাংলাদেশে পৌঁছানোর মধ্য দিয়ে দেশ পারমাণবিক যুগে প্রবেশ করে। সেই সময় রুশ কার্গো উড়োজাহাজে ঢাকায় আনা ইউরেনিয়াম সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তায় বিশেষ ‘গ্রিন করিডোর’ দিয়ে রূপপুরে নেওয়া হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন