প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গত বুধবার নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী অঞ্চলে আকস্মিক বন্যার পর আজ পঞ্চম দিনে গড়িয়েছে উদ্ধার অভিযান। নেপালের কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুসারে, দুর্যোগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬৭৫ জনে পৌঁছেছে। অন্যদিকে, তিব্বতে ৭ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
নেপালের দুর্যোগ মোকাবিলা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বন্যার পর ৭ হাজার ৫০০ জনের বেশি মানুষকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তবে এখনো প্রায় ২ হাজার ৫০০ জন নিখোঁজ রয়েছে এবং ২১৯ জন আহত হয়েছেন।
এর আগে নেপালের পর্যটন বোর্ড জানায়, ২৫০ জন বিদেশি নাগরিককে উদ্ধার করা হয়েছে। কিন্তু আরো ৩২০ জনের এখনো কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
এদিকে, নেপালের নুয়াকোট জেলায় স্বজনদের খবরের অপেক্ষায় উদ্বিগ্ন মানুষের ভিড় ক্রমশ বাড়ছে। একই সময়ে, ত্রিশূলী-৩ ‘এ’ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকায়ও উদ্ধার অভিযান চলছে। কাদামাটির নিচে চাপা পড়ে থাকা টানেলগুলোতে জীবিতদের সন্ধান পাওয়ার আশায় উদ্ধারকারীরা সেখানে তল্লাশি চালাচ্ছেন।
বিবিসির সঙ্গে কথা বলা এক ব্যক্তি জানান, তিনি ইংল্যান্ডের সাসেক্স থেকে উড়ে নেপালে এসেছেন নিজের গ্রামের বর্তমান পরিস্থিতি দেখতে এবং বাবাকে সঙ্গে নিয়ে দুর্গত এলাকায় গেছেন। তিনি জানান, তার স্ত্রী, মা, চাচা ও ভাই নিখোঁজ রয়েছেন। তিনি বলেন, যেখানে তাদের গ্রাম ছিল, সেই পুরো এলাকা এখন পানির নিচে।
তবে ব্যাপক প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যেও আশার কিছু ঘটনা সামনে এসেছে। এর আগে এমন একটি হৃদয়স্পর্শী মুহূর্তের ছবি প্রকাশ করা হয়, যেখানে এক মা তার আট বছর বয়সী ছেলের সঙ্গে পুনর্মিলিত হন। বন্যার পানি থেকে বাঁচতে ওই শিশু একটি গাছে উঠে আশ্রয় নিয়েছিল।
সূত্র: বিবিসি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন