প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকার জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের সামনে একটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এই বিস্ফোরণে এক সিএনজিচালক আহত হয়েছেন।
বুধবার রাত পৌনে ১১টার দিকে ঘটে এই ককটেল বিস্ফোরণ। ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. ইবনে মিজান যুগান্তরকে জানান, দুটি ককটেল নিক্ষেপ করা হয়েছিল, যার মধ্যে একটি বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরিত ককটেলটি সিএনজির উপর পড়ে, ফলে চালক আহত হন।
তিনি আরও বলেন, ঘটনাস্থলে সিসিটিভি ক্যামেরা নেই। আশপাশের ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। ডিসি জানান, দুষ্কৃতকারীদের গ্রেপ্তারের জন্য চেষ্টা চলছে।
রাত পৌনে ১১টার দিকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের সামনে একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। এতে এক সিএনজিচালক আহত হন, তবে তার নাম ও পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ঘটনার পর তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
এদিকে, খবর পেয়ে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। তবে ককটেল বিস্ফোরণের পেছনে কে বা কারা রয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।
এ ঘটনার বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের মহাপরিচালক এহসান মাহমুদ। তিনি যুগান্তরকে বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের সামনে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় এক সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক গুরুতর আহত হয়েছেন। যারা এই ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটাচ্ছেন, তারা মূলত জাদুঘরের কার্যক্রমকে ভয় পাচ্ছেন। ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জাদুঘরের কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করা যাবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘দেশের মানুষ সহজেই বুঝতে পারছে যে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান জাদুঘরে কোনো গোষ্ঠী নাশকতা চালাতে পারে বা হামলা করতে পারে। গণঅভ্যুত্থানের পরাজিত শক্তি এ ধরনের কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে আরও ঘৃণিত হবে। তবে আমরা বলতে চাই যে, জাদুঘরের বাইরে নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও জোরদার করার বিষয়ে আমরা সচেষ্ট থাকব।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন