প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধির প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে যে, নিম্নচাপ ও বৈরী আবহাওয়ার ফলে বঙ্গোপসাগর উত্তাল হয়ে উঠেছে। এর প্রভাব হিসেবে ঢেউয়ের কবলে পড়ে বরগুনার তালতলীতে ফকিরহাট সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে মঙ্গলবার দুটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে।
৭ জুলাই দুপুরে এই দুর্ঘটনায় মোট ১৮ জন জেলে ছিল। এর মধ্যে ১৬ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও আবুল কালাম পাইকার ও শহিদুল ইসলাম নামের দুই জেলে নিখোঁজ ছিলেন।
শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে গভীর সমুদ্র থেকে ভাসমান অবস্থায় আবুল কালাম পাইকার নামক এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করে উদ্ধারকারী দল। অন্যদিকে, শহিদুল ইসলাম নামক নিখোঁজ জেলের সন্ধান এখনও মেলেনি।
বঙ্গোপসাগরে দুই মাছ ধরার ট্রলার ডুবির ঘটনার পর তালতলীর ফকিরহাট ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি মজিবুর রহমান ফরাজী জানান, ৭ জুলাই ফকিরহাট উপ-মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র এবং আশারচর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে লালদিয়ার চর সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের কবলে পড়ে মাছ ধরার দুটি ট্রলার ডুব যায়। ১৪ ঘণ্টা বাদে, অন্য একটি মাছ ধরার ট্রলারের সহায়তায় ১৮ জনের মধ্যে ১৬ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।
এদের মধ্যে সোনাকাটা ইউনিয়নের ছোট আমখোলা গ্রামের বাদল খানের ছেলে আবুল কালাম পাইকার এবং সিরাজ মিস্ত্রীর ছেলে শহিদুল ইসলাম নিখোঁজ ছিলেন। চারদিন পর দুপুরে কালাম পাইকারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, কিন্তু নিখোঁজ শহিদুল ইসলামকে উদ্ধারের চেষ্টা এখনো চলছে।
তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল ইসলাম এ বিষয়ে জানিয়েছেন, উদ্ধার করা মরদেহ পাওয়া গিয়েছে, কিন্তু এখনো একটি জেলে নিখোঁজ রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন