প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেছেন, চোখের স্বাস্থ্যকে কেবল চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে শিক্ষাসংস্থান, কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক উৎপাদনশীলতা ও সার্বিক জাতীয় উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ঢাকার গুলশান হোটেল রেনেসাঁ আন্তর্জাতিক দ্য ফ্রেড হলোজ ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘ন্যাশনাল ডায়ালগ অন আই হেলথ বিয়ন্ড হেলথ’- শীর্ষক একটি সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, চোখের স্বাস্থ্যসেবা সবার জন্য সহজলভ্য করা বর্তমান সরকারের প্রতিশ্রুতি। প্রতিটি নাগরিক, যে অঞ্চলেই তারা বসবাস করুক না কেন- গুণগত মানের চক্ষু স্বাস্থ্যসেবার অধিকার তাদের রয়েছে।
তিনি স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশে চক্ষু চিকিৎসা ক্ষেত্রে অর্জিত অগ্রগতির কথা স্মরণ করেন এবং চিকিৎসক, উন্নয়ন সহযোগী, এনজিও ও বিভিন্ন অংশীদারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
ড. মুহিত উল্লেখ করেন, দেশের বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি, ডায়াবেটিসের প্রকোপ এবং গ্রাম ও দূরবর্তী অঞ্চলের মানুষের সেবা প্রাপ্তিতে এখনও কিছু চ্যালেঞ্জ অবশিষ্ট রয়েছে। বিশেষ করে মহিলা, প্রবীণ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও দুর্গম এলাকার সুবিধা বঞ্চিত মানুষদের সময়মতো চক্ষু চিকিৎসা পাওয়ার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন জেলায় চক্ষু স্বাস্থ্যের সার্বিক অবস্থা মূল্যায়নে একটি বড় ধরনের র্যাপিড অ্যাসেসমেন্ট সার্ভে পরিচালনার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এটি আগামী পাঁচ বছরের পরিকল্পনা প্রণয়নে দিকনির্দেশক হিসেবে কাজ করবে।
ড. এম এ মুহিত জানিয়েছেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বাংলাদেশে ছানিজনিত কারণে অন্ধত্ব দূর করা হবে। তিনি বলেন, সামনের দিনগুলোতে ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি ও দৃষ্টি প্রতিবন্ধিতার বিষয়গুলো বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠবে। সরকার ইতোমধ্যেই এগুলো নিয়ে কাজ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
অনুষ্ঠানে বরিশাল বিভাগে ছানি দূরীকরণে বিশেষ উদ্যোগ ‘বরিশাল ভিশন ২০৩০: ছানি নির্মূল কর্মসূচি’-এর আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন