বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৪৪ পি.এম
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় সারের নতুন ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি এবং কোটি টাকার অনৈতিক লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ ও এসওএস লাইসেন্সধারী প্রকৃত ব্যবসায়ীদের বাদ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এক শ্রেণির কর্মকর্তার যোগসাজশে অনভিজ্ঞ, রাজনৈতিক প্রভাবশালী এবং সুবিধাভোগীদের নাম চূড়ান্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
উপজেলা কৃষি বিভাগের সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে মাত্র ২৭টি শূন্য পদের বিপরীতে এবারের ডিলারশিপের জন্য রেকর্ডসংখ্যক ১৪০ জন ব্যবসায়ী আবেদন করেছেন। তবে এই বিপুল আবেদনের সুযোগ নিয়ে মাঠপর্যায়ের তদন্ত কমিটি এবং স্থানীয় একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট প্রতি পদের বিপরীতে ২০ থেকে ৩০ লাখ টাকার বাণিজ্যে নামে। ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন, মোটা অঙ্কের অর্থ লেনদেনের বিনিময়ে একটি বিশেষ ‘প্যাকেট’ তালিকা তৈরি করে জেলা কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছে। এ তালিকায় বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগী নেতাকর্মী এবং জাতীয় পার্টির (জাপা) কতিপয় নেতার নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় স্থানীয় সাধারণ ব্যবসায়ী ও কৃষকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
বঞ্চিত ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, যাদের নিজস্ব গোডাউন, ব্যাংকের পর্যাপ্ত জামানত এবং অভিজ্ঞতা রয়েছে, তাদের আবেদনগুলো উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ত্রুটিপূর্ণ দেখানো হয়েছে। অন্যদিকে, সার ব্যবসার কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও রাজনৈতিক পরিচয় ও অর্থশক্তির জোরে অনভিজ্ঞ ব্যক্তিদের তালিকার অগ্রভাগে রাখা হয়েছে। এর ফলে আসন্ন বোরো ও রবি মৌসুমে উপজেলায় সারের মারাত্মক কৃত্রিম সংকট এবং বিতরণ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
অনিয়মের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ তুলে ধরে শকিব ট্রেডার্সের প্রোপাইটর গোলাম মর্তুজা বলেন, "মেসার্স আয়াত ট্রেডার্সের প্রোপাইটর আরাফাত হোসেন মার্কেন্টাইল ব্যাংক দিনাজপুর শাখায় সিনিয়র ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত আছেন।" তিনি উল্লেখ করেন, সংশ্লিষ্ট এলাকায় তার কোনো সার বা কীটনাশকের ব্যবসা নেই, শোরুমও নেই। গোলাম মর্তুজা প্রশ্ন করেন, "একজন ফুলটাইম ব্যাংক কর্মকর্তার নাম ডিলারের তালিকায় কীভাবে আসে?" তিনি দাবি করেন, "এটা স্পষ্ট যে, সম্পূর্ণ মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে তার নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।"
একই ধরনের গুরুতর জালিয়াতির অভিযোগ এনে কিশোরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি সোহেল রানা এবং মরিয়ম ট্রেডার্সের মালিক মকসুদার রহমান বলেন, পুটিমারী ইউনিয়নে যে তিনজনের নাম সুপারিশ করে পাঠানো হয়েছে, তারা তিনজনেই আওয়ামী লীগ পরিবারের সক্রিয় সদস্য। তারা অভিযোগ করেন, তদন্ত কমিটি এবং সংশ্লিষ্টরা মোটা অঙ্কের আর্থিক সুবিধা নিয়ে তাদের নাম তালিকায় ঢুকিয়েছে। মকসুদার রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আমার শোরুম, গোডাউন ও ব্যাংক জামানতসহ সব কাগজপত্র শতভাগ বৈধ ও ঠিক ছিল। কিন্তু আমাকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার একমাত্র কারণ হলো আমি বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত।"
সার্বিক অনিয়ম এবং অনৈতিক লেনদেনের মাধ্যমে ডিলারশিপের তালিকা তৈরি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কিশোরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লোকমান আলম দায় এড়িয়ে বলেন, "আমি এসব বিষয়ে কিছু জানি না, আমি সভায় শুধু তথ্যগুলো উপস্থাপন করেছি মাত্র।" তিনি আরও বলেন, "আমার কাছে এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্যও নেই।" মাঠপর্যায়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান কর্মকর্তার এমন বক্তব্যে ক্ষুব্ধ ডিলারদের মাঝে অসন্তোষ আরও তীব্র রূপ নিয়েছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতির বিষয়ে জানতে চাইলে কিশোরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আরিফুল ইসলাম বলেন, "সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অনিয়ম বা অস্বচ্ছতা বরদাশত করা হবে না।" তিনি জানান, "এই বিষয়ে যেকোনো বঞ্চিত ব্যবসায়ীর কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট লিখিত অভিযোগ পেলে তা তদন্ত সাপেক্ষে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হবে এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির ১১ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল চীনের গুয়াংজুতে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক শিক্ষা সফরের অংশ হিসেবে এই সফরটি ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত চলবে, যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করছেন।
প্রতিনিধি দলের মধ্যে রয়েছেন ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির ভিসি প্রফেসর ড. ফরিদ আহমদ সোবহানী, কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর মো. শামসুল হুদা এবং স্কুল অব বিজনেসের ডিন প্রফেসর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. এ. কে. এম. ইকবাল আজিম, এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য সদস্য ও শিক্ষার্থীরা রয়েছেন।
সফরের সময় প্রতিনিধি দল সাউথ চায়না ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজিসহ গুয়াংজুর বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী ও নামকরা বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করবে। এই সফরের মাধ্যমে একাডেমিক মতবিনিময়, আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কিং, প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা এবং বৈশ্বিক উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন চর্চা সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
এছাড়াও, সফরের অংশ হিসেবে অংশগ্রহণকারীরা চীনের শিক্ষা-সংস্কৃতি, ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থানগুলো পরিদর্শনের সুযোগ পাবেন, যা শ্রেণিকক্ষের বাইরেও তাদের বাস্তব জ্ঞান সমৃদ্ধ করবে।
ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির অফিস অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্স-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই সফর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিকীকরণ কার্যক্রমকে আরও সম্প্রসারিত ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে অবৈধভাবে ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে পাচারের সময় মাটিভর্তি একটি জাহাজ জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ঘটনায় জাহাজের এক কর্মচারীকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পরে জব্দ করা মাটি ওপেন ডাকের মাধ্যমে ৬৫ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ভৈরব বাজার জেটিঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাটিভর্তি জাহাজটি জব্দ করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের তত্ত্বাবধানে জব্দ করা মাটি ওপেন ডাকের মাধ্যমে ৬৫ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, ভৈরব উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের লুন্দিয়া ও খলাপাড়ার হাওরের ফসলি জমি থেকে ভেকু দিয়ে অবৈধভাবে মাটি কেটে একটি জাহাজে ভর্তি করে রাজধানী ঢাকায় পাচার করা হচ্ছিল। খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন ও বিআইডব্লিউটিএর একটি দল অভিযান চালায়। এ সময় প্রায় ২০ হাজার ঘনফুট মাটিভর্তি জাহাজটি জব্দ করা হয়।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এমবি শাহ ফতুল্লাহ (১২), রেজিস্ট্রেশন নম্বর এম-০১-৪৫০৩-এর কর্মচারী মো. শামীম মিয়াকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানে বিআইডব্লিউটিএর ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মো. জসিম উদ্দিনসহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভৈরব উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এএইচএম আজিমুল হক বলেন, অনুমতি ছাড়া ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে রাজধানী এলাকায় পাচারের সময় মাটিভর্তি জাহাজটি জব্দ করা হয়েছে। অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের দায়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জব্দ করা মাটি বুধবার দুপুরে ওপেন ডাকের মাধ্যমে ৬৫ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে এবং বিক্রির অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাগুরার এক গ্রাহকের নামে ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের জন্য ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকার বিল এসেছে। এই বিল আসার পর মাগুরা পল্লী বিদ্যুতের মহাব্যবস্থাপককে (জিএম) তাৎক্ষণিকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ওই গ্রাহককে ফোন করে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। জানা গেছে, মাগুরা সদর উপজেলার মঘি ইউনিয়নের কেচুয়াডুবি গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শহীদুল ইসলামের স্ত্রী আলেয়া খাতুনের নামে সেপ্টেম্বর মাসের এই ভৌতিক বিলটি ইস্যু করা হয়েছে।
বিলের কপি অনুযায়ী, এক মাসে ওই গ্রাহকের বিদ্যুৎ ব্যবহার হয়েছে মাত্র ২৩৫ ইউনিট। এই বিদ্যুত খরচের বিপরীতে ডিমান্ড চার্জ হিসেবে ৪৮২ কোটি ৬৯ লাখ ৬৩ হাজার ৪২২ টাকা দেখানো হয়েছে। এর সঙ্গে ২৪ কোটি ১৩ লাখ ৪৮ হাজার ১৭১ টাকা ভ্যাট এবং ১০ টাকা মিটার ভাড়া যোগ করে মোট বিল দাঁড়িয়েছে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা। নির্ধারিত সময়ে বিল পরিশোধ না করলে বিলম্ব মাশুলসহ তা বেড়ে দাঁড়াবে ৫৩০ কোটি ৯৬ লাখ ৫৯ হাজার ৭৬৪ টাকা।
প্রকৃতপক্ষে, ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুতের বিপরীতে গ্রাহকের বিল হওয়ার কথা মাত্র ১ হাজার ৯৬৩ টাকা। বিলম্ব মাশুলসহ যার পরিমাণ দাঁড়ায় ২ হাজার ৫৬ টাকা। গত ১০ সেপ্টেম্বর ইস্যু করা বিলটির পরিশোধের শেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯ সেপ্টেম্বর। বিলটিতে গ্রাহকের শ্রেণি উল্লেখ করা হয়েছে ‘এলটি-এ (আবাসিক)’।
এ বিষয়ে গ্রাহক মোছা. আলেয়া খাতুন বলেন, "এটা শুধু ভুতুড়ে বিল নয়, আজগুবিও। বিদ্যুৎ বিভাগের খামখেয়ালিপনার কারণে গ্রাহকের দুশ্চিন্তা ও ভোগান্তি বাড়ছে। এ ধরনের ভুলের প্রতিকার হওয়া জরুরি।"
শালিখা উপজেলার চুকিনগরে অবস্থিত মাগুরা পল্লী বিদ্যুত সমিতির আড়পাড়া জোনাল অফিসে গিয়ে ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. রেজাউল করিমের কাছে জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, "গ্রাহকের মিটার পরিবর্তন হওয়ার কারণে ভুলবশত মিটারের সিল নম্বরের ডিজিটগুলো ডিমান্ড চার্জের ঘরে পোস্টিং হয়ে যাওয়ায় এই অস্বাভাবিক বিলটি তৈরি হয়েছে। বিলটি সংশোধন করে গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এই দায়িত্বহীন ভুলের পেছনে যাদের সম্পৃক্ততা রয়েছে, তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. মহিতুল ইসলাম বলেন, "টাইপিং মিসটেকের কারণে এমনটি হয়েছে। আজ বিলটি সংশোধন করে দেয়া হয়েছে উক্ত গ্রাহক বিলও পরিশোধ করেছেন। এ ভুলের সাথে যারা জড়িত তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাগুরার জেলা প্রশাসক মোতাকাব্বীর আহমেদ মন্তব্য করেছেন যে, মাদক, মোবাইল আসক্তি ও জুয়াসহ সব ধরনের অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে সমাজ এবং যুবসমাজকে রক্ষা করতে খেলাধুলার বিকল্প নেই।
তিনি বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মাগুরা জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘মাগুরা জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা-২০২৬’ সম্পর্কিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
ব্রিফিংয়ে জেলা প্রশাসক উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার খেলাধুলাকে বিনোদনের পাশাপাশি পেশা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন জাগরণ সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় আগামী ২ অক্টোবর মাগুরা স্টেডিয়ামে উৎসবমুখর পরিবেশে ‘জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল’ প্রতিযোগিতা শুরু হতে যাচ্ছে।
এছাড়া তিনি জানান, খেলার উদ্বোধনী দিনে প্রধান অতিথি হিসেবে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য মনোয়ার হোসেন খান এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে মাগুরার পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন অংশগ্রহণ করবেন। টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করে জেলায় ক্রীড়ামোদী মানুষের মধ্যে উৎসবের আবহ তৈরি করতে সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উক্ত ব্রিফিং সভায় উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশীদ, উপপরিচালক (স্থানীয় সরকার) আরিফুল ইসলাম সরদার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সাধারণ) আব্দুল কাদের, মাগুরা প্রেস ক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক সাইদুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিকসহ স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ