প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বকাপ শুধুমাত্র মাঠের লড়াইয়ের প্রতীক নয়, বরং এটি ফুটবলের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক সম্পদ হিসেবেও পরিচিত। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর পরিকল্পনার কারণে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিশ্বকাপের স্বত্ব বিক্রির উদ্যোগ নিয়ে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। যদিও তিনি অবশেষে এই পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছেন, তবে বিতর্ক এখনো অব্যাহত রয়েছে।
এখন ফিফা কাউন্সিলের সদস্যদের কাছে এই উদ্যোগের পেছনের গুরুত্বপূর্ণ নথি প্রদর্শনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। তবে, নথি দেখার সময় কঠোর গোপনীয়তার বিধি-নিষেধ থাকবে।
এই বিতর্কিত পরিকল্পনার নাম ছিল ‘ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ’ (এফএফই)। এর মাধ্যমে বিশ্বকাপের স্বত্বের কিছু অংশ বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রির প্রস্তাব করা হয়েছিল। ইনফান্তিনো গত মাসে কাউন্সিলের কাছে পরিকল্পনাটি বাতিলের জন্য ক্ষমা চেয়েছিলেন। তবে, তিনি কিভাবে এমন একটি প্রস্তাব তৈরি হয়েছিল সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি।
উয়েফা ফিফাকে ২ নভেম্বরের মধ্যে সময়সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছিল। আট পৃষ্ঠার চিঠিতে ১০০টিরও বেশি প্রশ্নের উত্তর চাওয়া হয়েছিল, যার মধ্যে এফএফই, সদস্য দেশগুলোর অর্থায়ন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত ছিল।
সময়সীমা শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে ফিফার মহাসচিব ম্যাথিয়াস গ্রাফস্ট্রম কাউন্সিল সদস্যদের উদ্দেশ্যে একটি চিঠি পাঠান। তিনি জানান, গুরুত্বপূর্ণ নথিগুলো সুইজারল্যান্ডের জুরিখে ফিফার সদর দপ্তরে সরাসরি দেখা যাবে। তবে তিনি উল্লেখ করেন, ‘গোপনীয়তা বজায় রাখতে কঠোর পর্যালোচনা প্রক্রিয়ার আওতায় নথিগুলো দেখার সুযোগ দেওয়া হবে।’
কোন কোন নথি দেখানো হবে, সে বিষয়ে ফিফা স্পষ্ট কিছু জানায়নি। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে আগ্রহী কাউন্সিল সদস্যদের সময় নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
উয়েফার অভিযোগ, ফিফার এই পদক্ষেপ মৌলিক প্রশ্নগুলোর উত্তর প্রদান করছে না। অন্যদিকে, আইনি পদক্ষেপের কারণে কিছু প্রশ্নের উত্তর দিতে ফিফার সীমাবদ্ধতা রয়েছে বলে জানা গেছে। ফলে, বিশ্বকাপের স্বত্ব বিক্রির বিতর্কে ইনফান্তিনোর ওপর চাপ এখনো অব্যাহত রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন