প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে ক্যানসারের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন প্রবীণ অভিনেতা প্রদীপ রাওয়াত। মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর।
উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রায় ১০ দিন আগে তাকে মুম্বাইয়ের কোকিলাবেন ধিরুভাই আম্বানি হাসপাতাল থেকে ভিওয়ান্ডির একটি ক্যানসার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছিল। মৃত্যুকালে প্রদীপ রাওয়াত তার স্ত্রী এবং এক ছেলে বিক্রমাদিত্যকে রেখে গেছেন।
সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে এই অভিনেতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন তার সহকর্মী আরেক বলিউড অভিনেতা যশপাল শর্মা।
তিন দশকের বেশি সময় ধরে অভিনয়জীবন কাটিয়ে হিন্দি, তেলেগু, তামিল, কন্নড় ও মালায়ালম সিনেমায় প্রদীপ রাওয়াত ছিলেন বেশ পরিচিত মুখ। ২০০৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত তামিল সিনেমা ‘গজনি’তে নিষ্ঠুর খলনায়কের চরিত্রে অভিনয় করে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। তার অভিনয় এতটাই প্রশংসিত হয়েছিল যে, ২০০৮ সালে আমির খানের বিপরীতে সিনেমাটির হিন্দি রিমেকে তাকেও একই চরিত্রে নেওয়া হয়েছিল।
এছাড়া, ২০০১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘লাগান’ সিনেমাতেও তিনি আমির খানের সঙ্গে কাজ করেছিলেন।
তবে অনেক দর্শক প্রদীপ রাওয়াতকে প্রথম চিনেছেন বি আর চোপড়ার কালজয়ী টেলিভিশন ধারাবাহিক ‘মহাভারত’–এর মাধ্যমে। সেখানে তিনি দ্রোণাচার্যের ছেলে অশ্বত্থামার চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। ১৯৮৫ সালে ‘মেরি জং’ সিনেমার মাধ্যমেও তার চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়েছিল, তবে ‘মহাভারত’–এ তার চরিত্রটিই তাকে ব্যাপক স্বীকৃতি এনে দেয়।
প্রদীপ রাওয়াতের অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে—‘সরফরোশ’, ‘দ্য হিরো: লাভ স্টোরি অব আ স্পাই’, ‘স্ট্যালিন’, ‘বীরাম’, ‘১: নেনোক্কাডিন’, ‘লৌক্যাম’, ‘নেনু সাইলাজা’, ‘সাররাইনোডু’, ‘নেনে রাজু নেনে মন্ত্রী’, ‘আয়িরাথিল ইরুভার’, ‘মার্কেট রাজা এমবিবিএস’ এবং ‘মিস ম্যাচ’。
প্রদীপের অভিনয়জীবনের একটি বড় মাইলফলক ছিল এস এস রাজামৌলির ‘সায়’ (২০০৪) সিনেমাটি। এই সিনেমার মাধ্যমেই তেলেগু সিনেমায় তার অভিষেক ঘটেছিল।
সূত্র: এনডিটিভি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন