প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বিরোধী দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)-এর প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে ঘোষিত বিক্ষোভ মিছিল ও লংমার্চের প্রেক্ষাপটে ইসলামাবাদে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সরকার। প্রধান সড়কগুলোতে শিপিং কন্টেইনার বসিয়ে পথ আটকে দেওয়ার পাশাপাশি হাজার হাজার নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী ২৭ সেপ্টেম্বরের কর্মসূচিকে সামনে রেখে রাজধানী ও আশেপাশের এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় শাহবাজ শরিফের নেতৃত্বাধীন সেনা-সমর্থিত জোট সরকার সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। প্রবেশপথগুলো বন্ধ করার ফলে রাজধানী প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
বিক্ষোভ রোধে সরকারের পদক্ষেপের অংশ হিসেবে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইমরান খানের তিন বোনসহ শত শত পিটিআই নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার বা আটক করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জনবিশৃঙ্খলা এড়ানোর যুক্তি দেওয়া হলেও, পিটিআই দাবি করছে যে, এটি রাজনৈতিক দমন-পীড়নের অংশ।
সামরিক বাহিনী সমর্থিত বর্তমান সরকার এবং কারাবন্দী নেতা ইমরান খানের সমর্থকদের মধ্যে এই সাম্প্রতিক মুখোমুখি অবস্থান ২৪ কোটি মানুষের দেশটিকে চরম রাজনৈতিক মেরুকরণের দিকে ঠেলে দিয়েছে। উল্লেখ্য, দুই বছর আগে পিটিআইয়ের সমমানের একটি বড় আকারের বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে রক্তাক্ত সংঘাতের সৃষ্টি হয়েছিল।
অর্থনীতিবিদ ও সরকারি সূত্রে জানা গেছে, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং রাস্তাঘাট অবরুদ্ধ হওয়ার কারণে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়ায় পাকিস্তান দিনে প্রায় ৪০ কোটি ডলার সমপরিমাণ আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। কঠোর বাধা ও গ্রেপ্তারের মধ্যেও পিটিআই নেতৃত্ব শান্তিপূর্ণ উপায়ে কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন