প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে জাতীয় সংসদের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে সৌরশক্তির (সোলার) ওপর নির্ভরশীল হয়ে যাবে।
তিনি বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তরের সময় এ তথ্য তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী স্পিকারের উদ্দেশ্যে বলেন, সরকার সাধারণ মানুষের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি করতে কাজ করছে। সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় পণ্য, যেমন সোলার প্যানেল, ইনভার্টার এবং ব্যাটারির ওপর প্রযোজ্য কাস্টমস ডিউটি, রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক, আগাম কর এবং ২ শতাংশ অতিরিক্ত অগ্রিম আয়কর থেকে শর্ত সাপেক্ষে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে। এ বিষয়ে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ গত ৮ জুন একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
তিনি আরও জানান, আগামী ছয় মাসের মধ্যে যারা রুফটপ সোলার স্থাপন করবেন এবং উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করবেন, সরকার তাদের কাছ থেকে প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা দরে বিদ্যুৎ কিনবে। বাল্ক রেটের অতিরিক্ত অর্থ সরকার প্রণোদনা হিসেবে প্রদান করবে।
তারেক রহমান বলেন, রুফটপ সোলার থেকে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনের গড় ব্যয় হবে ৬ থেকে ৭ টাকা। ফলে উদ্যোক্তাদের জন্য সর্বোচ্চ ৪৫ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে যারা রুফটপ সোলার স্থাপন করে সরকারের কাছে বিদ্যুৎ বিক্রি করবেন, তাদের জন্য প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা দরে বিদ্যুৎ বিক্রির সুবিধা তিন বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। অর্থাৎ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্থাপিত রুফটপ সোলার থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ পরবর্তী তিন বছর সরকার নির্ধারিত ওই দামে কিনবে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকারি ভবন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতালসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার ছাদে রুফটপ সোলার সিস্টেম স্থাপনের জন্য জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য একটি গাইডলাইন প্রস্তুত করা হয়েছে এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার জন্য ইতোমধ্যে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। দেশের সব জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে রুফটপ সোলার সিস্টেম স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তারেক রহমান বলেন, সরকার জ্বালানি খাত ও বিদ্যুৎ খাতে আগামী ১০ বছরের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে এবং কিছুদিনের মধ্যে সংসদে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী এ বিষয়টি উপস্থাপন করবেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন