প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দক্ষিণী অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া লক্ষ্মী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রোলের শিকার হয়েছেন বিলাসবহুল গাড়ি কেনার কারণে। রেঞ্জ রোভার ইভোক কেনার প্রেক্ষাপটে তাঁকে প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছে। তবে অভিনেত্রী স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, গাড়িটি তিনি সম্পূর্ণ নিজের উপার্জনের অর্থে কিনেছেন।
সম্প্রতি ‘আশা’ সিনেমার প্রচারণার সময় সঞ্চালক রঞ্জিনী হরিদাসের সঙ্গে কথোপকথনে ঐশ্বরিয়া তাঁর জীবনের কঠিন এক সময়ের কথা স্মরণ করেন। সম্পর্কের টানাপোড়েন ও ব্রেকআপের পর নিজেকে নতুন করে গুছিয়ে নেওয়ার সময়েই তিনি গাড়িটি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঐশ্বরিয়া স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘২০২৪ সালে নিজের কষ্টার্জিত টাকায় গাড়িটি কিনেছিলাম। ব্রেকআপের পর এটি এমন এক সময় ছিল যখন নিজেকে নতুন করে গুছাচ্ছিলাম। সময়টা খুবই খারাপ ছিল এবং সেই সময়ে কিছু প্রজেক্ট থেকেও সরে দাঁড়িয়েছিলাম। কেবল বন্ধুরা এই বিষয়টি জানত। তাই সুস্মিতা সেনের ডায়মন্ড রিংয়ের মতোই নিজেকে একটা বিশেষ উপহার দিতে চেয়েছিলাম। গাড়ি ভালোবাসায় ট্রাইবেকা ব্লু রঙের একটি রেঞ্জ রোভার ইভোক উপহার দিই।’
ঐশ্বরিয়া গাড়িটির ডেলিভারি ১৪ ফেব্রুয়ারি নিতে চেয়েছিলেন, যাতে ভালোবাসা দিবসকে নিজের জন্য বিশেষ করে তুলতে পারেন। তিনি বলেন, ‘১৪ ফেব্রুয়ারিতেই গাড়িটির ডেলিভারি চেয়েছিলাম ভালোবাসা দিবসের উপহার হিসেবে। ফলে কেউ আমার সঙ্গে ডেট করতে চাইলে জেনে রাখুন, এটি আমি নিজেই নিজেকে উপহার দিয়েছি এবং এটিই আমার স্ট্যান্ডার্ড।’
যদিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গাড়ি কেনার ছবি প্রকাশের পর থেকেই শুরু হয় নানা প্রশ্ন ও ট্রোলিং। অনেকেই জানতে চান, এত দামি গাড়ি কীভাবে কিনলেন অভিনেত্রী। কেউ কেউ এমন প্রশ্নও তোলেন, গাড়িটি তাঁকে কেউ উপহার দিয়েছেন কি না।
ঐশ্বরিয়া জানান, শুটিং সেটেও তাঁকে সরাসরি এমন প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছিল। একজন তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, গাড়িটি কেউ উপহার দিয়েছেন কি না। এমন প্রশ্নে তিনি অবাক হয়েছিলেন। তাঁর মনে হয়েছিল, এত দামি গাড়ি উপহার দেওয়ার মতো কেউ যদি থাকতেন, তাহলে তাঁকে কেন সিনেমায় কাজ করতে হবে!
তবে নেতিবাচক মন্তব্য তাঁর ওপর কোনো প্রভাব ফেলেনি। বরং নিজের উপার্জনের অর্থে গাড়ি কেনাকে তিনি ব্যক্তিগত সাফল্য হিসেবেই দেখছেন।
এর আগে ২০২৩ সালে ‘কিং অব কোঠা’ সিনেমাটি প্রত্যাশা অনুযায়ী ব্যবসা করতে না পারায় ট্রোলের মুখে পড়েছিলেন ঐশ্বরিয়া। একই সময়ে তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের ব্রেকআপও ঘটে। কঠিন সেই সময় পেরিয়েই তিনি নিজের জন্য এই বিশেষ উপহার কেনেন।
বলা দরকার, কোচিন শহরের রাস্তায় রেঞ্জ রোভার ইভোকের আনুমানিক অন-রোড দাম প্রায় ৮২ দশমিক ৭৮ লাখ রুপি। এ ছাড়া তাঁর মালিকানায় রয়েছে মার্সিডিজ-বেঞ্জ জিএলসি ২২০ডি, যার দাম প্রায় ৯৮ দশমিক ১৭ লাখ রুপি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন