শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৪৬ পি.এম
রাজবাড়ী, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রাজবাড়ীতে আজ জেলা জিয়া মঞ্চের উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নাশকতার মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে আয়োজন করা হয়।
শহরের আজাদী ময়দান চত্বরে শনিবার দুপুর ১২টায় অনুষ্ঠিত বিশাল সমাবেশের আগে সংগঠনের নেতা-কর্মীরা শহরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন যে, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা দেশের বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগসহ নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত রয়েছে। তারা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান, এসব ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত এবং সরকারের অঙ্গীকার জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তারা যেকোনো ধরনের নাশকতা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন রাজবাড়ী জেলা জিয়া মঞ্চের আহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান, সদস্য সচিব এস এম ফারুক, যুগ্ম আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন মুক্তি, পৌর জিয়া মঞ্চের আব্দুর রাকিব, সাধারণ সম্পাদক মোজাহার উদ্দিন প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মিসরের সাবেক গোয়েন্দাপ্রধান আব্বাস কামেল ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার কয়েক দিন আগে ইসরাইলের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সতর্ক করেছিলেন। এই তথ্য মার্কিন সাময়িকী দ্য আটলান্টিকের একটি প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনটি উল্লেখ করে, তেল আবিবের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে ইসরাইলি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় কামেল সরাসরি সতর্ক করে বলেছিলেন, "আপনারা যদি গতিপথ পরিবর্তন না করেন, তাহলে গাজা আপনাদের জন্য বড় বিপর্যয় ডেকে আনবে।"
এর আগে, এক মিসরীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) জানিয়েছিলেন যে, হামাস বড় ধরনের কিছু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে—এমন একাধিক সতর্কবার্তা ইসরাইল পেয়েছিল, কিন্তু সেগুলো তারা উপেক্ষা করেছে।
ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম ইয়েনেটও জানিয়েছিল যে, হামলার প্রায় ১০ দিন আগে কামেল ব্যক্তিগতভাবে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে সতর্ক করেছিলেন।
তবে, দ্য আটলান্টিকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কামেল হামলার নির্দিষ্ট তারিখ বা বিস্তারিত তথ্য দেননি। তিনি ঠিক কোন কোন ইসরাইলি কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন, সেটিও স্পষ্ট নয়।
ইসরাইলি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের ফ্লাইট লগের বরাত দিয়ে সাময়িকীটি জানায়, কামেল যে মিসরীয় বিমানে ইসরাইলি পৌঁছেছিলেন, সেটি সেখানে ৬৭ মিনিট অবস্থান করে পরে কায়রোর উদ্দেশে ফিরে যায়।
এদিকে, সম্প্রতি প্রকাশিত হারেৎজ-এর এক তদন্তেও দাবি করা হয়েছে যে, ৭ অক্টোবরের হামলার কয়েক সপ্তাহ আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) প্রেসিডেন্ট ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীকে হামাসের বড় ধরনের অভিযানের প্রস্তুতি সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুই নেতার মধ্যে প্রায় ৪৫ মিনিটের ফোনালাপ হয়েছিল। ওই ফোনালাপে আমিরাতের শাসকের এক উপদেষ্টা উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান, ইউএই প্রেসিডেন্টের মূল্যায়ন ছিল—হামাস নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ার বড় ধরনের একটি অভিযান বা ঘটনার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
হারেৎজের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ওই সতর্কবার্তা পাওয়ার পরও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী তা দেশটির নিরাপত্তা ও সামরিক নেতৃত্বকে জানাননি।
তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফুটবল গোলের খেলা। এই খেলায় যিনি সবচেয়ে বেশি গোল করবেন, তিনিই পাবেন সর্বাধিক খ্যাতি। এই খ্যাতির শীর্ষে আছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।
এই তালিকায় কারা আছেন যারা তাকে ছাড়িয়ে যেতে, কিংবা চ্যালেঞ্জ জানাতে পারবেন? শীর্ষ ১০-এ কারা আছেন, চলুন দেখে নেওয়া যাক।
১. ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো (পর্তুগাল)
ক্যারিয়ারে ৯০০-র বেশি গোল করে তিনি সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে পরিচিত। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তার মোট গোলসংখ্যা ৯৭৯টি, এবং তিনি ১০০০ ক্যারিয়ার গোলের ঐতিহাসিক মাইলফলকের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। স্পোর্টিং সিপি, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়াল মাদ্রিদ, জুভেন্টাস, আল নাসর ও পর্তুগাল জাতীয় দলের হয়ে তিনি এই রেকর্ড গড়েছেন।
২. লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা)
বার্সেলোনা, পিএসজি ও ইন্টার মায়ামির হয়ে খেলে তিনি ৯৩০টি গোল করেছেন। ২০২২ বিশ্বকাপ জয়সহ আর্জেন্টিনার হয়ে অসংখ্য রেকর্ড তার দখলে রয়েছে। রোনালদো যেসব মাইলফলক ছুঁয়েছেন, তার চেয়ে কম সময়ে সেসব ছুঁয়ে রেকর্ড ভেঙেছেন তিনি। সবশেষে, দ্রুততম সময়ে ৯০০ গোলের রেকর্ডও ভেঙেছেন।
৩. পেলে (ব্রাজিল)
সান্তোস ও ব্রাজিলের হয়ে ৭৬২টি গোল করেছেন এই কিংবদন্তি, যিনি তিনবার বিশ্বকাপ জিতেছেন। যদিও তার অনানুষ্ঠানিক ম্যাচের গোল ধরলে সংখ্যা ১২০০ ছাড়িয়ে যায় বলে দাবি করা হয়।
৪. রোমারিও (ব্রাজিল)
ব্রাজিলিয়ান এই স্ট্রাইকার প্রায় ৭৫৬টি গোল করেছেন। ইয়োহান ক্রুইফ তাকে পেনাল্টি বক্সে সবচেয়ে ‘প্রতিভাবান’দের একজন বলে আখ্যায়িত করেছিলেন।
৫. ফেরেঙ্ক পুশকাশ (হাঙ্গেরি)
হাঙ্গেরির ‘ম্যাগনিফিসেন্ট ম্যাগিয়ার্স’ দলের একজন সদস্য ছিলেন তিনি। রিয়াল মাদ্রিদের সবচেয়ে সফল স্কোয়াডের অংশও ছিলেন। এই দুই দলের হয়ে ৭২৫টি গোল করেছেন তিনি।
৬. ইয়োসেপ বিকান (চেক/অস্ট্রিয়া)
১৯৩০-৫০-এর দশকে খেলা এই খেলোয়াড়ের গোলসংখ্যা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও সাধারণভাবে ৭২২টি গোল বলে ধরা হয়।
৭. রবার্ট লেভানডভস্কি (পোল্যান্ড)
ডর্টমুন্ড, বায়ার্ন মিউনিখ ও বার্সেলোনার হয়ে খেলে তিনি ৭০৪টি গোল করেছেন। পোল্যান্ডের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতাও তিনি।
৮. জিমি জোন্স (উত্তর আয়ারল্যান্ড)
মূলত আইরিশ লিগে খেলে ৬৩৯টি গোল করেছেন, বিশেষ করে গ্লেনাভনের হয়ে দীর্ঘ সময় শীর্ষ গোলদাতা ছিলেন।
৯. গার্ড মুলার (পশ্চিম জার্মানি)
বায়ার্ন মিউনিখ ও জার্মানির হয়ে প্রায় ৬৩৪টি গোল করা এই স্ট্রাইকার ১৯৭৪ বিশ্বকাপ ফাইনালের বিজয়ী গোলদাতা।
১০. জো ব্যামব্রিক (উত্তর আয়ারল্যান্ড)
লিনফিল্ড ও চেলসির হয়ে খেলে ৬২৬টি গোল করেছেন, এক মৌসুমে লিনফিল্ডের হয়ে ৫০ গোল করার রেকর্ড তার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকার আরও একটি সুখবর প্রদান করেছে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য, নবম জাতীয় বেতনকাঠামোর (পে স্কেল) প্রজ্ঞাপনের পর। সাধারণ ভবিষ্য তহবিল (জিপিএফ) এবং প্রদেয় ভবিষ্য তহবিলের (সিপিএফ) জমার বিপরীতে মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য সরকারি কর্মচারীরা সর্বোচ্চ ১৩ শতাংশ মুনাফা পাবেন, যা তহবিলের স্থিতির ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হবে। এ বিষয়ে সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের প্রবিধি-১ শাখা থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, অর্থবছরের শুরুতে যদি জিপিএফের স্থিতি ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত হয়, তবে মুনাফার হার হবে ১৩ শতাংশ। ১৫ লাখ ১ টাকা থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত স্থিতির ক্ষেত্রে মুনাফা দেওয়া হবে ১২ শতাংশ হারে। আর ৩০ লাখ টাকার বেশি হলে মুনাফার হার হবে ১১ শতাংশ।
অর্থবছরে জমা হওয়া চাঁদার ওপরও একই হারে মুনাফা প্রযোজ্য হবে।
এদিকে, সিপিএফভুক্ত স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা ও করপোরেশনগুলো নিজেদের আর্থিক বিধিবিধান অনুসরণ করে সরকারের নির্ধারিত হারকে সর্বোচ্চ সীমা হিসেবে বিবেচনা করে কর্মচারীদের মুনাফা প্রদান করতে পারবে।
এর আগে গত ১ জুলাই থেকে নতুন জাতীয় পে-স্কেল কার্যকর করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল। এতে জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রথম থেকে নবম গ্রেডের কর্মীদের জন্য ৪০ শতাংশ এবং দশম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মীদের জন্য ৫০ শতাংশ বর্ধিত বেতন কার্যকর হবে।
অন্যদিকে, আগামী জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত প্রথম থেকে নবম গ্রেডে ৭০ শতাংশ এবং দশম থেকে ২০তম গ্রেডে ৭৫ শতাংশ বর্ধিত বেতন কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার সীমান্ত এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় অবৈধ মোবাইল ফোন জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। মোট জব্দ করা মোবাইল ফোনের সংখ্যা পাঁচ হাজার পাঁচটি। এই মোবাইল ফোনগুলোর আনুমানিক মূল্য চার কোটি ৮০ হাজার টাকা।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি) এ তথ্য প্রকাশ করে। বেলা ১২টায় ২৫ বিজিবির প্রধান কার্যালয়ে অধিনায়ক লে. কর্ণেল জাব্বাব আহমেদ এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।
বিজিবি জানায়, মহাপরিচালক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-এর নির্দেশনা অনুযায়ী সীমান্তের নিরাপত্তা এবং চোরাচালান প্রতিরোধে সরাইল ব্যাটালিয়নের (২৫ বিজিবি) সদস্যরা নিয়মিত অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২৫ সেপ্টেম্বর আনুমানিক রাত ১টা ৪০ মিনিটের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সরাইল ব্যাটালিয়নের একটি টহল দল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার কামালমোড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
এই অভিযানের সময় সীমান্ত পিলার-২০০৮/১-এস থেকে আনুমানিক ৩০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় অবৈধ মোবাইল ফোন ডিসপ্লের একটি চালান আটক করা হয়।
বিজিবির ভাষ্য অনুযায়ী, সীমান্ত এলাকায় কর্দমাক্ত অবস্থানের সুযোগ নিয়ে জঙ্গলের মধ্যে অভিনব কৌশলে লুকিয়ে রাখা মালিকবিহীন ভারতীয় অবৈধ মোবাইল ফোনের ডিসপ্লে উদ্ধার করা হয়। অভিযানে মোট ৫ হাজার ৫টি মোবাইল ফোন জব্দ করতে সক্ষম হয় বিজিবি। চার কোটি ৮০ হাজার টাকার এসব চোরাচালান মালামাল আখাউড়া কাস্টমস অফিসে জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বিজিবি আরও জানায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর ও আখাউড়া এবং হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধে তাদের অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ চোরাচালানি মালামাল আটক করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ