০৯:১১ এম
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে বাস চলাচল স্বাভাবিক হয়ে উঠতে সক্ষম হয়।
এর আগে, জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে, সোমবার রাত ৮টা থেকে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এর ফলে হাজার হাজার যাত্রী চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়ে যান।
শ্রমিক নেতাদের বক্তব্য অনুযায়ী, সোমবার বিকেলে জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন নিয়ে জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করেন শ্রমিক নেতারা। বৈঠকে তারা সাধারণ সভার মাধ্যমে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠনের দাবী জানান। জেলা প্রশাসক নিজে একটি নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন। এছাড়া, ওই কমিটিতে রাজশাহী সড়ক পরিবহন গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম হেলালকে রাখার প্রস্তাবও দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: রাজশাহী নগরীতে চোরাই ল্যাপটপ ও একডজন মোবাইল ফোন সহ গ্রেফতার ২
কিন্তু শ্রমিকদের একটি পক্ষ জেলা প্রশাসকের ওই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে, যার ফলে দুই পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। এর ফলস্বরূপ সোমবার রাত ৮টা থেকে বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। এই বিরোধ মূলত জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা রফিকুল ইসলাম পাখি এবং মোমিনুল ইসলাম মোমিনের নেতৃত্বাধীন দুই পক্ষের মধ্যে চলছিল।
উৎপন্ন পরিস্থিতির সমাধানে জেলা প্রশাসক রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) ট্রাফিক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার নূর আলম সিদ্দিকীকে শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করার দায়িত্ব দেন। মঙ্গলবার তিনি উভয় পক্ষের সঙ্গে একটি বৈঠক করেন।
বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, মোমিন গ্রুপের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে নজরুল ইসলাম হেলাল থাকবেন না। জেলা প্রশাসকের উপস্থিতিতেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। একইসাথে নির্বাচনকালীন সময়ে টার্মিনাল পরিচালনার জন্য উভয় পক্ষের চারজন করে মোট আট সদস্যের একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হবে। এই সিদ্ধান্তে সোমবার রাতের বৈঠকে দুই পক্ষই সম্মত হয় এবং পরবর্তীতে সন্ধ্যায় বাস চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়।
তবে এর পর, লিটন আলী নামে আরেক শ্রমিক নেতা নির্বাচন সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত বাস না চালানোর পক্ষাবলম্বন করেন। তিনি অনুসারীদের নিয়ে টার্মিনাল এলাকায় মাইকিং করলে বাস চলাচল আবারও বিলম্বিত হয়। পরে তাদের মধ্যেও একটি সমঝোতা হলে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে বাস চলাচল শুরু হয়।
আরও পড়ুন: রাজশাহীতে মাদক কারবারি সহ গ্রেপ্তার ৩৩
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন