প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড টিকিট কালোবাজারি রোধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সংগঠিতভাবে টিকিট কেনাবেচা এবং আর্থিক লাভের উদ্দেশ্যে টিকিট ব্যবস্থার অপব্যবহারের অভিযোগে ক্লাবটি ৬৮৫টি সিজন টিকিট বাতিল করেছে।
মৌসুম শুরুর পূর্বে টিকিট কালোবাজারির বিরুদ্ধে একটি ব্যাপক তদন্ত শুরু করেছিল ইউনাইটেড। ক্লাবটি তদন্তের হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করে জানায়, ৬৮৫টি অ্যাকাউন্টে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। পাশাপাশি, আরও ৪৬৪ জন সমর্থককে তুলনামূলক কম শাস্তি অথবা চূড়ান্ত সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।
ইউনাইটেডের দাবি, তদন্তের মাধ্যমে সংগঠিত টিকিট কালোবাজারির কয়েকটি চক্রের সন্ধান পাওয়া গেছে। এসব চক্র টিকিট নিয়ন্ত্রণ, বিক্রি ও বিতরণের জন্য শত শত অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করত।
ক্লাবের ভাষায়, এ ধরনের কর্মকাণ্ড প্রকৃত সমর্থকদের টিকিট পাওয়ার ন্যায্য সুযোগকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। তাই টিকিট ব্যবস্থার এমন ‘গুরুতর অপব্যবহারের’ বিরুদ্ধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
বাতিল হওয়া সিজন টিকিটগুলো এবার অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকা প্রকৃত সমর্থকদের দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে ইউনাইটেড। ক্লাবটি জানিয়েছে, এর মাধ্যমে টিকিটগুলো আবারও নিয়মিত সমর্থকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হবে।
তদন্তে আরও ১ হাজার ৬১৭টি অ্যাকাউন্টকে অতিরিক্ত যাচাইয়ের জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব অ্যাকাউন্টে ‘অস্বাভাবিক কার্যক্রম’ শনাক্ত করা হয়েছে বলে ক্লাবটি জানিয়েছে।
তবে ইউনাইটেডের পদক্ষেপ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সমর্থকদের একাংশ। সমর্থকগোষ্ঠী ‘দ্য ১৯৫৮’ চলতি সপ্তাহে সমর্থকদের ‘ঐক্যবদ্ধ’ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। রোববার ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে ডার্বির আগে সিজন টিকিট নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে বিক্ষোভের ডাকও দিয়েছে তারা। তাদের দাবি, এবার ক্লাব ‘সীমা অতিক্রম করেছে’।
এদিকে, যাদের সিজন টিকিট বাতিল করা হয়েছে, তাদের মধ্যে ১১৩ জন ক্লাবের তথ্য চাওয়ার অনুরোধে সাড়া দেননি। আরও ৭৩ জন কোনো আপিল করেননি। আর ৪৯৯ জনের ক্ষেত্রে স্বাধীন আপিল বোর্ড নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে।
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই অভিযান টিকিট কালোবাজারি বন্ধে কতটা কার্যকর হবে, সেটি ভবিষ্যতে ক্লাবের টিকিট ব্যবস্থায় কতটা পরিবর্তন আনবে, এখন সেটিই দেখার বিষয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন