০৪:৫৭ পি.এম
বাংলাদেশ জেলের নাম পরিবর্তন করে ‘কাস্টোডিয়াল অ্যান্ড কারেকশন সার্ভিস’ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহার হোসেন।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) কারা অধিদপ্তর আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
মঙ্গলবার দেশ টিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনটিতে আরো বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগে-পরে দেশের কয়েকটি কারাগারে তৈরি হয় নজিরবিহীন অস্থিরতা। এই অস্থিরতার সুযোগ গ্রহণ করে হামলা, ভাঙচুর ও বিদ্রোহের মাধ্যমে পাঁচটি কারাগার থেকে পালিয়ে যায় ২ হাজার ২৪৭ বন্দি। এর মধ্যে নরসিংদী কারাগার থেকেই পালিয়ে যায় ৮২৬ বন্দি।
আরও পড়ুন: ইসরাইল নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, সরকার গঠনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অধরাই
কারা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, তাদের মধ্যে ৬৬০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে এখনো শনাক্ত করা যায়নি ১৬৬ জন বন্দিকে।
কারাগারে বন্দি নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা-নেত্রীদের ফোনে কথা বলা এবং বিশেষ সুবিধা পাওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে কারা মহাপরিদর্শক জানান, কোনো বন্দিকেও আলাদা করে সুবিধা দেওয়া হচ্ছে না। এমন ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেলে ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। পলাতক বন্দিদের পাশাপাশি দীর্ঘদিনের জনবল সংকটও কারাগারের নিরাপত্তায় বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। এ সংকট নিরসনে নতুন করে প্রায় ১ হাজার ৮৯৯টি পদ অনুমোদন করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, নীতিগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে বর্তমান সময়ের প্রয়োজন ও আধুনিক কারা ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কারা বিভাগের আইন ও বিধিবিধানকে যুগোপযোগী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ‘কাস্টোডিয়াল অ্যান্ড কারেকশন সার্ভিস’-এর খসড়া প্রণয়ন করে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ইসরায়েলে পার্লামেন্ট নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে, লিকুদ পার্টি এগিয়ে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন