প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দেশে সক্রিয় রয়েছে একটি বড় অস্ত্রের সিন্ডিকেট। এই সিন্ডিকেট পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে অবৈধ অস্ত্র নিয়ে আসছে দিনাজপুরের হিলি সীমান্ত দিয়ে। পরে তাদের অস্ত্রগুলো মজুত করা হচ্ছে দিনাজপুরের গোপন আস্তানায়। উক্ত সিন্ডিকেটের সদস্যরা ঢাকা থেকে গিয়ে প্রাইভেটকারের মাধ্যমে রাজধানীতে আনছে এসব অস্ত্র। এরপর তারা সেগুলো বিক্রি করছে সন্ত্রাসীদের কাছে।
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কাজলা থেকে দুটি বিদেশি অস্ত্র ও গুলিসহ তিন অবৈধ অস্ত্র ব্যবসায়ীকে আটক করার পর সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য প্রকাশিত হয়, যা জানিয়েছে ঢাকায় র্যাব-১০। বর্তমানে র্যাব অস্ত্রের ক্রেতাদের খুঁজছে।
র্যাব জানায়, রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কাজলায় মঙ্গলবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি শুরু করে। এ সময় একটি প্রাইভেটকার থামতে বললে সেটি সংকেত অমান্য করে পলায়নের চেষ্টা করে। পরে র্যাব সদস্যরা ওই প্রাইভেটকারটি আটক করে।
পরে প্রাইভেটকারের ভেতরে তল্লাশি চালিয়ে ড্যাশবোর্ডের একেবারে নিচ থেকে উদ্ধার করা হয় দুটি বিদেশি অস্ত্র, দুটি ম্যাগাজিন এবং ১৩ রাউন্ড গুলি। সেইসঙ্গে আটক করা হয় তিনজন অস্ত্র ব্যবসায়ীও। প্রাইভেটকারটিও জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃত তিনজন হলেন- কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার করিমাবাদ এলাকার মো. রবিউল ইসলাম (৪৫), মুন্সিগঞ্জের টুঙ্গীবাড়ী উপজেলার জশলং এলাকার মো. মাহবুব আলম মানিক (৩৮) এবং ঢাকার ওয়ারী এলাকার মো. নজরুল ইসলাম (৪৭)। র্যাব জানায়, তিনজনই পেশাদার অপরাধী এবং তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ১২টি মামলা রয়েছে।
পরে জিজ্ঞাসাবাদে সামনে আসে অস্ত্রের বড় সিন্ডিকেটের তথ্য। র্যাব বলছে, এই সিন্ডিকেট দিনাজপুরের হিলি সীমান্ত দিয়ে পাশ্ববর্তী দেশ থেকে অবৈধ অস্ত্র আমদানি করে। সিন্ডিকেটের ঢাকার সদস্যরা দিনাজপুর থেকে সেসব অস্ত্র এনে রাজধানীতে বিক্রি করে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন