প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর সরকারি হাসপাতালের জরাজীর্ণ ভবনে চিকিৎসা সেবা ঝুঁকির মধ্যে চলছে। সোমবার দুপুরে হাসপাতালের ১ নম্বর কক্ষে রোগী দেখার সময় আকস্মিকভাবে ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে, যার ফলে কর্তব্যরত মেডিকেল অফিসার ডা. রাইসাসহ চারজন রোগী অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান।
এর আগে, গত ১ অক্টোবর একই হাসপাতালের রেস্টরুমে সিলিং ফ্যানসহ পলেস্তারা খসে পড়ে, যার ফলে গুরুতর আহত হন ডা. ফৌজিয়া মোস্তফা। একের পর এক ঘটে যাওয়া এসব দুর্ঘটনার কারণে হাসপাতালটিতে কর্মরত চিকিৎসক, নার্স ও রোগীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে জরাজীর্ণ পুরাতন ভবনের নিচতলায় ১২১ নম্বর কক্ষে পুনরায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। পলেস্তারা খসে পড়ার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দ্রুত ঝুঁকিপূর্ণ অংশের নিচে থাকা রোগীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়।
গত বছর প্রায় ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে হাসপাতালের পুরাতন ভবন ও চিকিৎসকদের আবাসিক ভবনটি সংস্কার করা হয়েছিল। অভিযোগ উঠেছে, নিম্নমানের কাজের কারণে সংস্কারের মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই বিভিন্ন কক্ষের ছাদ থেকে পলেস্তারা খসে পড়তে শুরু করেছে।
হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা কয়েকজন রোগী ও তাঁদের স্বজনেরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সুস্থ হতে এসে এখন জীবন ঝুঁকিতে পড়তে হচ্ছে। তাঁরা দ্রুত হাসপাতালের ভবনটি নিরাপদ ও সঠিকভাবে পুনঃসংস্কারের জোর দাবি জানান, যাতে বড় ধরনের কোনো প্রাণহানি ঘটার আগেই ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
এ বিষয়ে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. নাঈমা নুসরাত জাবীন বলেন, হাসপাতালের পুরাতন ভবনটি দীর্ঘদিন ধরেই মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। অবকাঠামোগত এই ঝুঁকির বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বারবার জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তিনি সতর্ক করেন যে, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে যেকোনো সময় বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন