প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দ্বিতীয় দফায় রবিবার চকরিয়ার ফাঁসিয়াখালী ও কৈয়ারবিল ইউনিয়নে এক হাজার পরিবারে দেওয়া হয় পূর্ণাঙ্গ খাবার সহায়তা। ছবি : কালের কণ্ঠ
সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কক্সবাজারের চকরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরী উপজেলার পাঁচ হাজার পরিবারের মাঝে খাদ্যসহায়তা দিচ্ছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আইএসডিই বাংলাদেশ। সৌদি কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টারের অর্থায়নে এ মানবিক সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
সহায়তা হিসেবে প্রতিটি পরিবারকে ১০ কেজি চাল, ৭ কেজি ডাল, ৩ লিটার সয়াবিন তেল, ১ কেজি চিনি এবং ১ কেজি লবণ দেওয়া হচ্ছে।
সংস্থাটি জানিয়েছে, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তাৎক্ষণিক খাদ্যসংকট মোকাবিলায় এই সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর আগে হোস্ট কমিউনিটির বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকা এবং রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পসহ প্রায় ৫৬ হাজার সুবিধাভোগীর মধ্যে খাদ্যসহায়তা বিতরণ করা হয়েছে। দুর্যোগ ও মানবিক সংকটে থাকা মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
আইএসডিই বাংলাদেশের প্রকল্প সমন্বয়কারী মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো তাদের মানবিক দায়িত্ব। প্রথম ধাপে চকরিয়া পৌরসভার এক হাজার পরিবারকে খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে রবিবার (১৯ জুলাই) ফাঁসিয়াখালী ও কৈয়ারবিল ইউনিয়নের আরো এক হাজার পরিবার এই সহায়তা পেয়েছে। বাকি তিন হাজার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকেও পর্যায়ক্রমে খাদ্যসহায়তা দেওয়া হবে।
এ কর্মসূচি পরিচালনা করছেন আইএসডিই বাংলাদেশের প্রকল্প সমন্বয়কারী মো. জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা ব্যবস্থাপক জালাল উদ্দীন, প্রকল্প কর্মকর্তা (মিল) মোস্তাক আহমেদ এবং প্রকল্প কর্মকর্তা (লজিস্টিকস) তাজ উদ্দীন।
ইউনিয়নভিত্তিক সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতারা বলেন, এবারের বন্যায় বহু পরিবার ঘরবাড়ি, খাদ্যসামগ্রী ও জীবিকার উৎস হারিয়ে মানবিক সংকটে পড়েছে। এ ধরনের খাদ্যসহায়তা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে এবং তাদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার করছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন