প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সন্দ্বীপের সারিকাইতে সম্প্রতি আফরিনের মৃত্যুর ঘটনা নতুন মোড় নিয়েছে, যখন সাখওয়াতের পরিবার ঘরের সামনে ও পেছনে তালা দিয়ে পালিয়ে গেছে।
গতকাল সন্দ্বীপের এমপি মোস্তফা কামাল পাশা আফরিনের ভাইয়ের সাথে ফোনে কথা বলেন এবং পরিবারের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করেন। তিনি ঘটনার বিবরণও জানতে পারেন। আজ এমপি মহোদয়ের নির্দেশে সন্দ্বীপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমজাদ হোসেন আফরিনের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
এই সাক্ষাতের পর, বিকেলে সন্দ্বীপ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আফরিনের পরিবারের সঙ্গে কথা বলার জন্য নিজে কয়েকজন পুলিশ সদস্যসহ সেখানে যান। পরিবারের বক্তব্য গ্রহণ করার পর, তিনি সরাসরি আফরিন যে বাসায় কাজ করতেন, সেখানে চলে যান।
কিন্তু সেখানে পৌঁছানোর পর ওসি এবং পুলিশ দল দেখতে পান, ঘরে কেউ নেই। ঘরের সামনে ও পেছনে তালা দেয়া হয়েছে। ইউএনওর সাক্ষাতের খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার পরেই ওই বাড়ির পরিবারের সবাই পালিয়ে গেছে।
আফরিন যে বাড়িতে কাজ করতেন, সেখানকার পরিবারের সবাই এখন পলাতক। আজ ইউএনও আফরিনের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর, সন্দ্বীপ থানার ওসি সেখানে যান, সাথে কয়েকজন পুলিশ সদস্য নিয়ে। আফরিনের পরিবারের সঙ্গে কথা বলার পর, তিনি যে বাড়িতে কাজ করতেন, সেখানে গিয়ে দেখেন, ঘরে কেউ নেই। সবাই পলাতক। ঘরের সামনে ও পেছনে তালা ঝুলছে।
সাখওয়াতের পরিবারের এভাবে পালিয়ে যাওয়া এলাকাবাসীর মনে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তুলছে।
তাদের যদি নির্দোষ হয়, তাহলে পুলিশের মুখোমুখি না হয়ে এভাবে পালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন কেন হলো?
নাকি তারাই হ'''ত্যা করেছে আফরিনকে?
এ নিয়ে চলছে জোর আলোচনা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন