প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা বিরোধী দলের নেতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে সিআইডি অভিযান চালিয়েছে। এই অভিযান নির্বাচন-সংক্রান্ত চিঠিতে বিধায়কদের স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগে তার বাড়িতে তল্লাশি শুরু হয়। একইদিনে দলের সাধারণ সম্পাদকের কার্যালয়েও অভিযান পরিচালিত হয়। চাঁদাবাজির অভিযোগে সব্যসাচী দত্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক সংকট আরও ঘনীভূত হয়। মঙ্গলবার বিকেলে কলকাতার ৩০বি হরিশ চ্যাটার্জি রোডের মমতার বাসভবনে সিআইডির একটি টিম অভিযান শুরু করে। এই পরিস্থিতিতে, তৃণমূলের কর্মীরা গোয়েন্দাদের ভিতরে ঢুকতে বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল বাকবিতণ্ডা ঘটে। পরবর্তীতে সিআইডির সদস্যরা মমতার বাড়িতে প্রবেশ করে তল্লাশি চালায়। একই দিনে দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসেও অভিযান হয়েছে। এই স্পর্শকাতর পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের সামনে দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক ও অন্যান্য বৈঠকের জন্য তারা দিল্লিতে আছেন। সেটা জানার পরও আজকের দিনে তাদের অনুপস্থিতিতে কেন সিআইডি তাদের বাসায় অভিযান চালাল সেটাই বিস্ময়কর।" বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করে ৮০ জন বিধায়কের স্বাক্ষর সংবলিত একটি চিঠি স্পিকারকে দিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে কয়েকজন বিধায়ক দাবি করেন, সেই চিঠিতে তাদের স্বাক্ষর নেই। এই জালিয়াতির অভিযোগ তুলেছিলেন বিধানসভার প্রধান সচিব। সেই মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে সিআইডি তৃণমূল নেত্রীর বাসভবন ও সাধারণ সম্পাদকের কার্যালয়ে অভিযান করেছে। এদিকে, মঙ্গলবার পূর্ব মেদিনীপুরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক বৈঠকে অভিনেতা ও তৃণমূল সাংসদ দেবসহ কিছু বিরোধী বিধায়ক ও জনপ্রতিনিধিরা অংশ নেন। সম্প্রতি একের পর এক নেতা মমতার দল ছেড়ে যাচ্ছে, এদিকে দেবও একই পথে হাঁটছেন কিনা এ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। দেব জানান, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য আমার ভালোবাসা সারাজীবন থাকবে। যতদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেঁচে আছেন, ততদিন তার সঙ্গেই আছি।" দলীয় সংকটের মধ্যেই, তৃণমূলের এক দাপুটে নেতা ও বিধাননগর পুরসভার সাবেক চেয়ারম্যান সব্যসাচী দত্ত চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন। সোমবার গভীর রাতে তাকে পুলিশ গ্রেফতার করে। মঙ্গলবার আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময়, ক্ষুব্ধ জনতা তার দিকে ডিম, টমেটো ও গোবর ছুড়ে মারেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন