প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সিরিয়ায় প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রবিবার সিরিয়ার প্রেসিডেন্টের অফিস জানিয়েছে, দুই নেতা সিরিয়ার অর্থনীতি শক্তিশালী করতে এবং সাম্প্রতিক আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন।
ট্রাম্প তার আলোচনা ‘ভালোভাবে’ হওয়ার কথা জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেছেন, সিরিয়া ও ওই অঞ্চলের পরিস্থিতি বর্তমানে ‘ভালোভাবে এগোচ্ছে’। সিরিয়ার অর্থনীতি পুনরুদ্ধার ও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য আহমেদ আল-শারা যুক্তরাষ্ট্রের বাকি নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়াকে জরুরি বলে মনে করছেন।
এদিকে, সিরিয়ার ওপর আরোপিত বেশিরভাগ নিষেধাজ্ঞা ইতোমধ্যে শিথিল করা হয়েছে এবং সিজার অ্যাক্ট বাতিল করা হয়েছে বলে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
কিন্তু বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা এখনো কার্যকর রয়েছে। এই আইন অনুযায়ী সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর কঠোর নিষিধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল।
ওয়াশিংটন বলছে, আসাদ ও তার সহযোগীদের পাশাপাশি মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের, ক্যাপটাগন নামক নেশাজাতীয় উত্তেজক ওষুধের পাচারকারীদের এবং অঞ্চলটিকে অস্থিতিশীল করে তুলতে থাকা অন্যান্য পক্ষকে লক্ষ্য করে নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত থাকবে।
যুক্তরাষ্ট্র আরও জানিয়েছে, তারা সিরিয়াকে সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্র হিসেবে চিহ্নিত করার বিষয়টি পর্যালোচনা করছে।
এজন্য মার্কিন বৈদেশিক সহায়তা, প্রতিরক্ষা রপ্তানি এবং কিছু নির্দিষ্ট আর্থিক লেনদেনের ওপর বিধিনিষেধ আরোপিত হয়।
সিরিয়ার উপর থাকা বাকি মার্কিন নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়াকে দেশটির নতুন সরকারের সফলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। দেশটির অর্থনীতি এবং অবকাঠামো পুনর্গঠনে সহযোগিতা করতে রিয়াদের উদ্যোগে অনেকগুলো সৌদি প্রতিষ্ঠান সিরিয়ায় শতাধিক কোটি ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছে। পাশাপাশি অন্যান্য উপসাগরীয় দেশও সিরিয়াকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন