প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ‘ভোট ব্যাংক’ ভাবার ভ্রান্ত ধারণা ভেঙে গেছে। অতীতের ফ্যাসিবাদী শক্তি এই দেশের সনাতন ধর্মের ভাইবোনদের তাদের জন্য ভোট ব্যাংক মনে করতো, সেই ভ্রান্ত ধারণা ও মিথ আপনারা ভেঙে দিয়েছেন।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার পলাশী মোড় থেকে শুরু হওয়া জন্মাষ্টমী উপলক্ষে র্যালিতে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে সব ধর্মের ধর্মচর্চা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাষ্ট্রকে দেওয়া হয়েছে এবং রাষ্ট্র তা নিশ্চিত করবে।
তিনি বলেন, ‘ধর্মের ভিত্তিতে কোনো বৈষম্য করা যাবে না; এ কথাও সংবিধানে বলা হয়েছে। ধর্মীয় স্বাধীনতার জন্য সব ধর্মাবলম্বীর উপাসনালয় এবং উপাসনালয়ের কর্তাদের স্বাধীনতা ও উপাসনালয় স্থাপনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমরা শুধু সেটা কিতাবে, সংবিধানে ধারণ করেই বসে থাকতে চাই না। বাস্তবে আমরা এই সম্প্রীতি, এই স্বাধীনতা নিশ্চিত করবো এবং আমরা সেই ঘোষণা দিয়েছি।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ধর্মীয় পরিচয় থাকতে পারে, কিন্তু ধর্মীয় পরিচয়টা এখানে কোনো মুখ্য নয়। আমরা নাগরিকের পরিচয় এখানে থাকতে চাই। বাংলাদেশের সকল নাগরিক মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, নৃগোষ্ঠী যারাই হোক, তারা ধর্মীয়ভাবে, সাংস্কৃতিকভাবে নিজ নিজ ধর্মাচার, ধর্মীয় অনুষ্ঠান স্বাধীনভাবে পালন করবেন।
কিন্তু জাতীয়তা হিসেবে আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে থাকবো।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের মধ্যে সম্প্রীতি থাকবে। এই একটাই হবে আমাদের পরিচয়। এজন্যই আমরা বলি, আমাদের নেতা বলেছেন—সবার আগে বাংলাদেশ। যদি সবার আগে বাংলাদেশ হয়, তাহলে আমরা সবার আগে বাংলাদেশি, তারপরে আমাদের ধর্মীয় পরিচয়, সাংস্কৃতিক পরিচয়, নৃতাত্ত্বিক পরিচয়।
সবার আগে বাংলাদেশী এবং সবার জন্য বাংলাদেশ।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীন নাগরিক হিসেবে কেউই যেন নিজেদের সংখ্যালঘু হিসেবে পরিচয় না দেন। সবাই নাগরিকত্বের ভিত্তিতে পরিচয় দেবেন। ধর্মের ভিত্তিতে নয়, এই দেশের সমান অধিকারভুক্ত একজন নাগরিক হিসেবে নিজেদের পরিচয় দেবেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তাহলে আমরা আজকে থেকে কী বলবো? ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখবো। সামাজিক সম্প্রীতি এবং শান্তি বজায় রাখবো। কেউ আর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি শব্দের উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই। এটা হবে ধর্মীয় সম্প্রীতি, সহ-অবস্থান এবং সামাজিক শান্তি এবং সম্প্রীতি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন