প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের উত্তর প্রদেশে প্রেমিককে বিয়ের দাবিতে ১৯ বছর বয়সী এক তরুণী প্রায় ১০০ ফুট উঁচু মোবাইল ফোনের টাওয়ারে উঠে যান। তিনি পরিবারের সদস্যদের বিয়েতে সম্মতি না দেওয়া পর্যন্ত টাওয়ার থেকে নামতে অস্বীকৃতি জানান। শেষ পর্যন্ত ভিডিও কলের মাধ্যমে প্রেমিকের সঙ্গে বিয়ের সম্পন্ন হওয়ার পর টাওয়ার থেকে নিচে নেমে আসেন ওই তরুণী।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানায় পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, উত্তর প্রদেশের বাহরাইচ জেলায় এ ঘটনা ঘটে। তরুণী সাহিবা বেগম, যিনি মেহক নামেও পরিচিত, প্রেমিক নূরুদ্দিনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মায়ের সঙ্গে বিরোধের জেরে মোবাইল ফোনের টাওয়ারে উঠে যান। নূরুদ্দিনের বয়স ২১ বছর।
প্রেমিক নূরুদ্দিন তখন কাজের প্রয়োজনে প্রায় এক হাজার কিলোমিটার দূরে মুম্বাইয়ে অবস্থান করছিলেন। দুজনের বিয়ের ইচ্ছা থাকলেও উভয় পরিবারের পক্ষ থেকে তাদের সম্পর্ক মেনে নেওয়া হয়নি।
এদিকে, টাওয়ারে উঠে মেহক প্রায় চার ঘণ্টা অবস্থান করেন। তাকে নিরাপদে নিচে নামিয়ে আনতে স্বজন, স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সদস্যরা চেষ্টা চালান। বিয়ের দাবি পূরণ না হলে টাওয়ার থেকে লাফ দেওয়ার হুমকিও দেন তিনি।
খবর পেয়ে নারী পুলিশ সদস্যসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তারা বিভিন্নভাবে তরুণীকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। একই সঙ্গে বিরোধ মেটাতে মুম্বাইয়ে অবস্থানরত নূরুদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।
একপর্যায়ে স্থানীয় এক মুসলিম ধর্মীয় নেতা ভিডিও কলের মাধ্যমে তাদের বিয়ে পড়ান। মুম্বাই থেকে ভিডিও কলে যুক্ত হন নূরুদ্দিন। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর টাওয়ার থেকে নামতে রাজি হন মেহক। পরে নারী পুলিশ সদস্যদের সহায়তায় তাকে নিরাপদে নিচে নামিয়ে আনা হয়।
ঘটনার পর পুলিশ মেহক ও তার পরিবারের সদস্যদের থানায় নিয়ে কাউন্সেলিং করে। পরে মাকে সঙ্গে নিয়ে বাড়িতে ফিরে যান ওই তরুণী।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন