প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ উৎপাদনশীল দিনাজপুরের মধ্যপাড়া পাথর খনিতে পাথর উত্তোলন নতুন একটি রেকর্ড স্থাপন করেছে। খনির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জার্মানিয়া-ট্রাস্ট কনসোর্টিয়াম (জিটিসি) গত অক্টোবর মাসে দেড় লাখ মেট্রিক টনেরও বেশি পাথর উত্তোলন করেছে। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটি পূর্ববর্তী সব মাসিক উৎপাদনের রেকর্ডকে অতিক্রম করেছে।
খনি সূত্রে জানা গেছে, জিটিসির সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় চুক্তির পর থেকে মধ্যপাড়া পাথর খনির পরিচালনা, উৎপাদন ও উন্নয়ন কাজে ধারাবাহিকভাবে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হচ্ছে। গত অক্টোবর মাসে ছুটির দিন বাদে ১ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টনের বেশি পাথর উত্তোলন করা হয়েছে। এ সময় দৈনিক গড় উৎপাদন প্রায় ৬ হাজার মেট্রিক টন ছিল। খনির উন্নয়ন ও উৎপাদন কার্যক্রমে জিটিসির বিদেশি খনি বিশেষজ্ঞ দল কাজ করছে।
জানা গেছে, ১৯৯৪ সালের ২০ অক্টোবর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া পেট্রোবাংলার ভূগর্ভস্থ মধ্যপাড়া কঠিন শিলা প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। পরবর্তীতে ২০০৭ সালের ২৫ মে খনি থেকে বাণিজ্যিকভাবে পাথর উত্তোলন শুরু হয়। শুরুতে দৈনিক মাত্র ৪০০ থেকে ৫০০ মেট্রিক টন পাথর উত্তোলন হলেও বর্তমানে জিটিসির ব্যবস্থাপনায় নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে উৎপাদন হচ্ছে।
খনি সূত্র আরও জানায়, পাথর উত্তোলনে ধারাবাহিক রেকর্ডের ফলে সরকারের বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হচ্ছে। বর্তমানে খনির বেশ কয়েকটি ইয়ার্ডে বিভিন্ন আকারের প্রায় ১৫ লাখ ৩০ হাজার মেট্রিক টন পাথর মজুত রয়েছে।
এ বিষয়ে মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী ডি এম জোবায়েদ হোসেন বলেন, "আমদানি করা পাথরের সঙ্গে সমন্বয় করে খনির উৎপাদিত পাথরের দাম কমানো হয়েছে। জিটিসির পাথর উৎপাদনে নতুন মাইলফলক সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে খনিতে পাথর বিক্রিও বেড়েছে।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন