প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ককে আরও গতিশীল এবং শক্তিশালী করার পাশাপাশি পারস্পরিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। উভয় দেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় বিভিন্ন খাতে মার্কিন বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে মতবিনিময় করেছেন।
বুধবার (১২ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অতুল কেশবের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের একটি উচ্চপর্যায়ের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে। ওই সাক্ষাতে প্রতিটি বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
হুমায়ুন কবির প্রতিনিধি দলকে স্বাগত জানিয়ে জানান, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক দীর্ঘকাল ধরে চলে আসছে এবং এটি বহুমাত্রিক। এই সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ অর্থনৈতিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগকারীদের জন্য বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা ও সম্ভাবনাময় খাতগুলো তুলে ধরে তিনি বলেন, সরকার ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ বর্তমানে অর্থনৈতিক রূপান্তর ও নতুন সম্ভাবনার একটি crucial পর্যায়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অংশীদারত্ব বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তি ও জ্ঞান বিনিময়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।
ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অতুল কেশব বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও বিনিয়োগের সুযোগের বিষয়ে তাদের আগ্রহের কথা জানান। তিনি দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য কাউন্সিলের আগ্রহের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন।
ঐ সাক্ষাতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, শিল্প ও অবকাঠামো খাতে সহযোগিতা, জ্বালানি, প্রযুক্তি, ডিজিটাল অর্থনীতি ও স্বাস্থ্যসেবা সহ বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে মার্কিন বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। উভয় পক্ষ একমত পোষণ করে যে, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়িক সম্প্রদায়ের মধ্যে যোগাযোগ ও অংশীদারিত্ব আরও গভীর করার মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সম্পর্ককে গতিশীল করার জন্য কাজ করা উচিত।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন