প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নৌঘাঁটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে, সুইডেনের সশস্ত্র বাহিনী সরকারের কাছে একটি রুশ নাগরিকের মালিকানাধীন সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার সুপারিশ করেছে। রাজধানী স্টকহোমের দ্বীপপুঞ্জে অবস্থিত ‘মুসকো’ নৌঘাঁটির নিকটবর্তী একটি সমুদ্রসৈকত সংলগ্ন প্লট অধিগ্রহণের জন্য আবেদন করা হয়েছে।
রাশিয়ান ড্রোন হামলা এবং সন্দেহজনক মালিকানার কারণে জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সুইডিশ গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, বিবিসি জানাচ্ছে, রাশিয়ার সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা এক ধনকুবের ব্যবসায়ী মুসকো দ্বীপে বিলাসবহুল একটি বাড়ি নির্মাণ করছেন। যদিও আইনি নথিপত্রে বাড়িটির নিবন্ধিত মালিক তার স্ত্রী, যিনি রাশিয়া ও সুইডেন উভয় দেশের নাগরিক।
ইউক্রেনে রাশিয়ার সাম্প্রতিক আক্রমণের পর, দীর্ঘ দুই শতাব্দীর সামরিক নিরপেক্ষতা ভেঙে সুইডেন ন্যাটোতে যোগদান করেছে।
সেনাবাহিনীর মতে, রাশিয়ার আধুনিক ড্রোন প্রযুক্তির উত্থান সুইডেনের জন্য নতুন নিরাপত্তা হুমকি সৃষ্টি করেছে।
সুইডিশ সশস্ত্র বাহিনীর একটি বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ড্রোন হামলা প্রতিহত করা এবং মুসকো নৌঘাঁটির নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য এই নির্দিষ্ট জমিটির অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের পাবলিক ব্রডকাস্টার ‘এসভিটি’ জানিয়েছে, দীর্ঘ দিন ধরে এই বাড়িটি সুইডিশ সামরিক বাহিনীর জন্য একটি সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এ বিষয়ে সুইডেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পল জনসন নিশ্চিত করেছেন যে, দেশের প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত কোনো গোপন তথ্য যাতে বাইরে না যায় এবং প্রতিপক্ষ যাতে কোনো কৌশলগত সুবিধা না পায়, তা নিশ্চিত করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।
সুইডিশ প্রতিরক্ষা বাহিনীর চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ কার্ল-জোহান এডস্ট্রম সতর্ক করে বলেছেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সুইডেন বর্তমানে সবচেয়ে ভয়াবহ ও সংকটময় নিরাপত্তা পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছে।
তবে, ওই রুশ ব্যবসায়ী বর্তমানে কোথায় অবস্থান করছেন, সে সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৭ সাল থেকে বাড়িটির মালিকানা তার স্ত্রীর নামে রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন