প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানীর পুরানা পল্টনে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কার্যালয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছে, যেখানে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তোলা হয়েছে। এই হামলার অভিযোগ স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে করা হয়েছে।
বিডিনিউজের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে ছাত্র ও যুব ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা হামলার অভিযোগ করেন। এ সময় তাদের মধ্যে কয়েকজনকে মারধর করা হয়।
এই ঘটনার ফলে যুব ইউনিয়নের দুজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন তারা। আহত অবস্থায় তাদের পুলিশ নিয়ে গেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশ হামলা ও আহত হওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। সিপিবির কার্যালয় মুক্তি ভবনের ষষ্ঠ ও সপ্তম তলায় অবস্থিত, যেখানে ছাত্র ইউনিয়ন ও যুব ইউনিয়নের কার্যালয় অষ্টম তলায় রয়েছে।
সোমবার রাত ৯টার পর ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি দীপক শীলকে মুক্তি দেওয়ার পর পল্টনে ছাত্র ও যুব ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা আনন্দ মিছিল বের করেন। এই মিছিলকে কেন্দ্র করে হামলার অভিযোগ ওঠে, যা সিপিবির কার্যালয়ের সামনে গড়ায়। পরে সেখানে লোকজন জড়ো হয়ে হামলা চালায়।
রাত সাড়ে ১০টার দিকে ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাহীর শাহরিয়ার অভিযোগ করেন, “আমাদের কার্যালয়ে হামলা করা হয়েছে। হামলাকারীরা স্থানীয় বিএনপির নেতা। সম্ভবত পল্টন থানা বিএনপি বা তাদের অন্য সহযোগী সংগঠনের লোকজনও থাকতে পারে।”
হামলার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “তারা আমাদের আওয়ামী লীগ প্রতিপন্ন করতে চায়। এখন আমরা অফিসের ভেতরে আছি। আমার সঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতারা আছেন। আমাদের বন্ধু ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মীরাও আটকা আছেন।”
সিপিবির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল কাফী রাত ১১টা ১০ মিনিটে গণমাধ্যমকে জানান, “হামলার খবর পেয়ে এখন আমি সেখানে যাচ্ছি। একটি মব পার্টি অফিসে আসে, তারা হামলা চালায়। এখন পর্যন্ত এতটুকুই জানি।”
পল্টন থানার ওসি আরিফুল আলম বলেন, সোমবার দুপুরে ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি দীপক শীলকে আটক করা হয়েছিল। পরে তাকে ছেড়ে দেওয়ার পর সিপিবির কার্যালয়ের সামনে আনন্দ মিছিল করেন নেতাকর্মীরা।
‘এ ঘটনায় সিপিবি কার্যালয়ের সামনে উত্তেজনা বিরাজ করছে। কোনো হামলা বা আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেনি। পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে।’
সুনামগঞ্জে নারী বাউল শিল্পীদের গান গাইতে বাধা দেওয়ার প্রতিবাদে সোমবার বিকালে রাজধানীর ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে মীনা বাজারের সামনে মানববন্ধনের ডাক দেন সংস্কৃতিকর্মীরা। সেখানে জড়ো হলে পুলিশের বাধায় কর্মসূচি পালন করতে পারেননি তারা। ওই স্থান থেকে ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি দীপক শীলকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। পরে রাত ৯টার দিকে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন