প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সৌদি বন্দরগুলো ব্যবহার না করার জন্য ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠী যে সতর্কবার্তা দিয়েছে, এর পর বেশ কয়েকটি তেলবাহী ট্যাংকার নিজেদের গতিপথ পরিবর্তন করেছে এবং সেই খবর পাওয়া গেছে।
শিপ ট্র্যাকিংয়ের ডেটা অনুযায়ী, লোহিত সাগর দিয়ে চারটি তেলবাহী ট্যাংকার তাদের গতিপথ পরিবর্তন করেছে। উল্লেখযোগ্য, এই ট্যাংকারগুলোর মধ্যে দুটির নতুন গন্তব্য হিসেবে সুয়েজ খালের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া, অন্য দুটি ট্যাংকার লোহিত সাগরের উন্মুক্ত জলপথকে তাদের গন্তব্য হিসেবে নথিভুক্ত করেছে।
আমাদের কাছে থাকা শিপিং ডেটা বলছে, জেদ্দার বন্দরকে সম্ভাব্য পরবর্তী গন্তব্য হিসেবে ঘোষণা করার পর একটি কার ক্যারিয়ারও অর্থাৎ গাড়ি পরিবহনকারী জাহাজ দৃশ্যত এডেন উপসাগরে নিজের গতিপথ পরিবর্তন করেছে। পাশাপাশি, এর আগে, চীন ও ভারতের জন্য তেল বহনকারী তিনটি ট্যাংকারও লোহিত সাগর এড়িয়ে ইয়েমেনের উপকূলের কাছ দিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে সুয়েজ খালের দিকে রওনা হয়েছিল।
২০ জুলাই সৌদি আরবের বিরুদ্ধে ‘নৌ-অবরোধ’ অথবা সামুদ্রিক অবরোধের ঘোষণা প্রদান করে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। হুথিদের ঘোষণার পর ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছে, তারা শক্তি প্রয়োগ করে জবাব দিতে প্রস্তুত। একই সঙ্গে লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দেব প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী সৌদি জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
এই প্রণালী পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহ প্রায় ৭ শতাংশ কমে যেতে পারে। কারণ, সৌদি আরবের অধিকাংশ তেল রপ্তানি এই পথে নির্ভরশীল। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম এবং পণ্য পরিবহন ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন