প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা পুনঃরায় শুরু হওয়ার খবরের জের ধরে, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ধারাবাহিকভাবে কমতে শুরু করেছে। সোমবার, তেলের দাম এক ধাক্কায় ৫ শতাংশের বেশি কমে গেছে।
বার্তা সংস্থাগুলোর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রিনিচ মান সময় ভোর ৬টা ৫ মিনিটে আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৮৩.৪০ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে, মার্কিন বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দামও কমে দাঁড়িয়েছে ৭৯.৬০ ডলারে, যা ৬ শতাংশের বেশি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের প্রতি নির্ধারিত একটি সামরিক হামলা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরপরই তেলের বাজারে এই নাটকীয় পরিবর্তন লক্ষ্য করতে দেখা গেছে। ট্রাম্প জানিয়েছেন, সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ মিত্রদের বিশেষ অনুরোধে তিনি সামরিক পদক্ষেপ স্থগিত করেছেন। এছাড়া, কূটনীতিকে অগ্রাধিকার দিতে আলোচনায় বসতে তিনি সম্মত হয়েছেন। এই প্রেক্ষাপটে, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল সরবরাহ পথ 'হরমুজ প্রণালী' দ্রুত স্বাভাবিক ও উন্মুক্ত করার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি। দুই দেশের মধ্যে বৈরিতা কমে আসার প্রবণতা বিশ্ব বাজারে জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছে।
উল্লেখযোগ্য যে, গত জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে নতুন করে সংঘাত বাড়লে এবং অন্তর্বর্তীকালীন শান্তি চুক্তি ভেস্তে গেলে, ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। হরমুজ প্রণালী থেকে শুরু করে লোহিত সাগর পর্যন্ত সংঘাতের রেশ ছড়িয়ে পড়ায় তেল পরিবহন নিয়ে তীব্র অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক কূটনৈতিক উদ্যোগের সঙ্গে ওপেক প্লাস ভুক্ত দেশগুলো তাদের উত্তোলন কোটা ধাপে ধাপে বাড়ানোর সিদ্ধান্ত বজায় রাখায় বাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে, যা দাম নিম্নমুখী করতে প্রধান ভূমিকা পালন করছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন