প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গণভোটের রায় মানার ঘোষণা দিন লংমার্চের আগেই বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যে, আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চের পূর্বে গণভোটের রায় মেনে নেওয়ার জন্য একটি সুস্পষ্ট ঘোষণা প্রদান করা উচিত। তিনি বলেছেন, "জনগণের রায় অমান্য করে, পাশ কাটিয়ে বা উপেক্ষা করে কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা কখনোই শুভ ফল বয়ে আনে না।" ইতিহাসে এর বহু দৃষ্টান্ত বিদ্যমান। সুতরাং, সংবিধান সংস্কার না করে সংবিধান সংশোধনের পথে অগ্রসর হওয়ার অপরিণামদর্শী সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসা উচিত।
রোববার রাজধানীর পুরানা পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ৫ সেপ্টেম্বর ১১ দলের লংমার্চ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের ঢাকার সদস্যদের বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ আরও বলেন, "জনগণের ভোট ও গণরায়কে সম্মান করা ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার মৌলিক দায়িত্ব।" তাই কোনো গণরায়কে অস্বীকার করে কিংবা বাস্তবায়নে গড়িমসি করে পরিস্থিতিকে জটিল করা উচিত নয়। তিনি উল্লেখ করেন যে, ৫ সেপ্টেম্বরের লংমার্চের আগেই সরকারের পক্ষ থেকে গণভোটের রায় মেনে নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হলে তা দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা নিরসন এবং জনগণের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি বলেন, "জনগণের রায় মেনে না নেওয়ার পরিণতি কখনোই ভালো হয়নি—ইতিহাস তার সাক্ষী।" সরকারের উচিত ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়া। জনগণের রায়কে সম্মান করে দ্রুত তা বাস্তবায়নের ঘোষণা দিতে হবে। অন্যথায়, জনগণের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা আরও বাড়বে, যা কারও জন্যই কল্যাণকর হবে না।
তিনি ৫ সেপ্টেম্বরের ১১ দলের লংমার্চ সফল করার জন্য বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সর্বস্তরের নেতাকর্মীসহ দেশবাসীর প্রতি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
বৈঠকে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন