প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ম্যাচের ৬০ মিনিট পর্যন্ত গোলশূন্য সমতা বজায় ছিল। এরপর দুই দলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় চারটি গোল হয়, যার মধ্যে তিনটি গোল হয় শেষ ১০ মিনিটে। লিওনেল মেসির ইন্টার মিয়ামি একপর্যায়ে পিছিয়ে পড়লেও শেষ পর্যন্ত হার থেকে রক্ষা পায়। বৃহস্পতিবার মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) এফসি সিনসিনাতির বিরুদ্ধে ২-২ গোলে ড্র করেছে দলটি।
মেসির জন্য এটি ছিল স্পেনের রাজপরিবারের কাছ থেকে ক্রীড়াক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি ‘প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস অ্যাওয়ার্ড’ নিয়ে ফেরার পর দ্বিতীয় ম্যাচ। আগের ম্যাচে নিউইয়র্ক রেড বুলসের কাছে ২-০ গোলে পরাজিত হয়েছিল মিয়ামি। সেই খেলায় ভ্রমণ ক্লান্তির কারণে দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে মাঠে নামলেও আর্জেন্টাইন মহাতারকা কোনো গোল বা অ্যাসিস্ট পাননি। সিনসিনাতির বিপক্ষে পুরো ম্যাচে গোল বা অ্যাসিস্টের দেখা পাননি তিনি।
ম্যাচের প্রথম এক ঘণ্টা কোন দলই গোলের দেখা পায়নি। অবশেষে ৬১ মিনিটে লুইস সুয়ারেজের গোলে মিয়ামি এগিয়ে যায়। কিন্তু ৮০ মিনিটে কেনজি এমবোমা ডেমের গোলে সমতা ফেরায় সিনসিনাতি। ছয় মিনিট পর স্যামুয়েল গিডির গোলে তারা এগিয়ে যায়। তখন মিয়ামির হার প্রায় নিশ্চিত মনে হচ্ছিল।
কিন্তু ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার আগে মেসির দল আবার ফিরে আসে। নির্ধারিত সময়ের ৯০ মিনিটে বক্সের বাঁ দিক থেকে দূরের পোস্টে বাঁকানো শটে গোল করেন রিকুয়েলমে ফিলিপ্পি। এমএলএসে তার প্রথম গোলেই দলকে হার থেকে রক্ষা করেন। এর আগে সুয়ারেজও প্রায় একই জায়গা থেকে গোল করেছিলেন।
এই ড্রয়ের ফলে ইস্টার্ন কনফারেন্সে তিন নম্বরে থাকা মিয়ামি নিউ ইংল্যান্ড রেভোলিউশনের চেয়ে দুই পয়েন্ট পিছিয়ে আছে, যারা দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। নিউ ইংল্যান্ডের পয়েন্ট ৫৮। দুই দলের হাতে এখনও দুটি করে ম্যাচ রয়েছে। পরবর্তী ম্যাচে নিউ ইংল্যান্ডের মাঠে খেলবে মেসিরা। এই ম্যাচটি কেবল ইস্টার্ন কনফারেন্সে দ্বিতীয় স্থান নির্ধারণের জন্য নয়, এমএলএস কাপের প্লে-অফে দ্বিতীয় সিড পাওয়ার লড়াইয়ের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন