প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
উখিয়ার ক্যাম্প-৮ ইস্টে সংঘর্ষ ও ব্যাপক গুলিবর্ষণের ফলে একই পরিবারের মা ও ছেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। হাসপাতালে নেওয়ার সময় ছেলে মারা যায়। এই ঘটনার ফলে ক্যাম্পজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (৮ এপিবিএন) অধিনায়ক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, গোলাগুলির ঘটনায় এক শিশু ও তার মা গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন। তিনি বলেন, "এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।"
স্থানীয় রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে ক্যাম্প-৮ ইস্টের বি/৪০ ও বি/৪১ ব্লক এলাকায় গুলিবর্ষণ শুরু হয়। তাদের দাবি, এআরএ ও আরসার সদস্যরা একত্রিত হয়ে আরএসও সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি চালাচ্ছে।
আশপাশের বাসিন্দাদের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত আনুমানিক ১২০ রাউন্ডের বেশি গুলির শব্দ শোনা গেছে। স্থানীয়দের ধারণা, গুলির সংখ্যা ১২০ থেকে ২০০ রাউন্ডের মধ্যে হতে পারে। তবে প্রকৃত সংখ্যা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।
গুলিবর্ষণের ঘটনায় ক্যাম্প-৮ ইস্টের বি/৪১ ব্লকের বাসিন্দা নুর আলমের পুত্র ইউসুফ এবং তার মা তাহেরা বেগম গুলিবিদ্ধ হন। গুরুতর আহত ইউসুফকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।
গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাদের প্রথমে কুতুপালংয়ের এমএসএফ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠান।
জনবসতিপূর্ণ এলাকায় এই ধরনের ব্যাপক গুলিবর্ষণের কারণে সাধারণ রোহিঙ্গাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। নিরাপত্তার কারণে অনেকে ঘর থেকে বের হতে পারছেন না। এর ফলে ক্যাম্পের স্বাভাবিক চলাচল ও দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
ঘটনার পর ক্যাম্পের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে। গুলিবর্ষণের প্রকৃত কারণ, হতাহতের সংখ্যা এবং ঘটনায় কারা জড়িত—তা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন