প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ও সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার প্রেক্ষাপটে দেশের জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় পুলিশ বাহিনীর আত্মত্যাগ ও ভূমিকার প্রশংসা করেছেন। তিনি একইসাথে ইমাম মাহদীর আবির্ভাব দ্রুততর হওয়ার জন্য প্রার্থনা করেছেন।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) ইরানের সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়। জাতীয় পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় মোজতবা খামেনি এসব মন্তব্য করেন।
বার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, "নিরাপত্তা মহান আল্লাহর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেয়ামত।" ইরানের বড় শহর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রাম ও সীমান্ত এলাকা পর্যন্ত নিরাপত্তা বজায় রাখতে পুলিশ বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তাঁদের নিষ্ঠা, সাহস ও আত্মত্যাগ দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
মোজতবা খামেনি, ইরানের বিরুদ্ধে চাপিয়ে দেওয়া দ্বিতীয় ও তৃতীয় যুদ্ধের সময় পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁর ভাষ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি পক্ষ পুলিশ বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা থেকে শুরু করে সামনের সারির সদস্যদের ওপর বারবার হামলার চেষ্টা করেছে। তবে এসব হামলার পরেও পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালনে অবিচল ছিলেন।
তিনি পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা আরও দৃঢ় করার ওপর জোর দেন। দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সদস্যদের এমন আচরণ করতে হবে, যাতে মানুষের বিশ্বাস ও সমর্থন আরও বাড়ে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
পুলিশ বাহিনীর সক্ষমতা বাড়াতে জনবল, সরঞ্জাম ও প্রযুক্তিগত ব্যবস্থার উন্নয়নের আহ্বান জানান মোজতবা খামেনি। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ আধুনিক প্রযুক্তির পরিকল্পিত ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। তাঁর মতে, এসব উদ্যোগ পুলিশের দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি কাজকে আরও কার্যকর করতে পারে।
বার্তার শেষাংশে পুলিশ বাহিনীর প্রধান কমান্ডারসহ সব সদস্যের নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান ইরানের সর্বোচ্চ নেতা। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ইমাম মাহদীর দোয়া ও বরকতে ইরানের নিরাপত্তা, শক্তি ও মর্যাদা আরও বাড়বে। তথ্যসূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন