প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ক্রোয়েশিয়া দক্ষিণ কোরিয়ার তৈরি কে২৩৯ চুনমু মাল্টিপল রকেট লঞ্চার ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ জন্য দেশটি ৫৪৪ মিলিয়ন ইউরো ব্যয় করবে, যা মার্কিন ডলারে প্রায় ৬৩২ মিলিয়ন।
ক্রোয়েশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রকেট লঞ্চারগুলোর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও অন্যান্য সামরিক ব্যবস্থা সংগ্রহ করা হবে। এসব সরঞ্জাম ২০২৯ সালের মধ্যে ক্রোয়েশিয়ার হাতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
এ বিষয়ে খবর প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা হিনা জানায়, ক্রোয়েশিয়া মোট ১৮টি রকেট লঞ্চার ক্রয় করবে।
কে২৩৯ চুনমু একটি আধুনিক ও মডুলার মাল্টিপল রকেট লঞ্চার ব্যবস্থা হিসেবে পরিচিত। এই ব্যবস্থায় বিভিন্ন ধরনের রকেট ব্যবহার করা সম্ভব, যার মধ্যে ১৩০ মিলিমিটার ও ২৩৯ মিলিমিটার ক্যালিবারের রকেটও রয়েছে।
ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেই প্লেনকোভিচ মন্তব্য করেছেন, ২০২১ সালে ১২টি ফরাসি রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার পর, এটি ১৯৯০-এর দশকে স্বাধীনতার যুদ্ধের পর দেশের সেনাবাহিনী আধুনিকায়নে একটি বড় ও গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ।
তিনি আরো বলেন, “প্রথমবারের মতো আমরা অনেক দূরের লক্ষ্যবস্তুতে দ্রুত ও নিখুঁতভাবে আঘাত হানার সক্ষমতা অর্জন করছি।”
প্লেনকোভিচ জানান, ক্রোয়েশিয়া কারও জন্য হুমকি তৈরি করতে চায় না, বরং সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলা ও প্রতিরোধ, দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং ইউরোপের সম্মিলিত নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষায় অবদান রাখার জন্য সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করছে।
এর আগে, ক্রোয়েশিয়া যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি আটটি এইচআইএমএআরএস বা হিমার্স রকেট লঞ্চার কেনার চুক্তি করেছে, যেগুলোর সরবরাহ ২০২৮ সালে হওয়ার কথা রয়েছে।
ক্রোয়েশিয়া ন্যাটো ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য।
২০২৫ সালে দেশটি প্রতিরক্ষা খাতে তার মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ২ দশমিক ০৮ শতাংশ ব্যয় করবে। ওই বছর প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ১ দশমিক ৯৩ বিলিয়ন ইউরো।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন