প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জেল-জরিমানার বিধান সহকারে ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’-এর একটি খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদন প্রদান করেছে মন্ত্রিসভা। একই সাথে অনলাইন এবং দূরবর্তী জুয়া, বাজি বা পণ (বেটিং), বাজিকর, এবং ম্যাচ ফিক্সিং বা স্পট ফিক্সিং-এর সাথে জড়িত বিভিন্ন জুয়া বিষয়ক সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার দশম বৈঠকে এই অনুমোদন প্রদানের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সময়ের সাথে সাথে জুয়ার বিস্তারে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে অনলাইন এবং অফলাইন বিভিন্ন প্রকারের জুয়া কার্যক্রম সম্প্রসারিত হচ্ছে।
এ কারণে জনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ প্রবণতা হ্রাস, এবং আর্থসামাজিক ও মানসিক ক্ষয়ক্ষতি প্রতিরোধকল্পে এসব জুয়া কার্যক্রমের ওপর সমসাময়িক উন্নত প্রযুক্তির সুবিধা নিয়ে যথাযথ তত্ত্বাবধান এবং আইনগত কাঠামো প্রদান করে রাষ্ট্রের সার্বিক নৈতিক ও অর্থনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার উদ্দেশ্যে ‘দ্যা পাবলিক গ্যাম্বলিং অ্যাক্ট, ১৮৬৭’ সংশোধনের মাধ্যমে হালনাগাদ এবং যুগোপযোগী করে ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’-এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে।
আইনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহের মধ্যে রয়েছে—জুয়াখেলা, জুয়ার স্থান, জুয়ার সামগ্রী, ডিজিটাল সম্পদ, ডিজিটাল গ্যাম্বলিং প্ল্যাটফর্ম, ডিজিটাল ওয়ালেট, টোটালাইজেটর, অনলাইন এবং দূরবর্তী জুয়া, বাজি বা পণ (বেটিং), বাজিকর, ম্যাচ ফিক্সিং বা স্পট ফিক্সিং-সহ জুয়া সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ের সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে। অপরাধের প্রকৃতি অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে অর্থদণ্ড, কারাদণ্ড এবং উভয় দণ্ড।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মন্ত্রিসভা বৈঠকে ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’-এর খসড়া লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন