প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় আজ। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিকেল ৪টার মধ্যে বৈধ প্রার্থীরা নিজেদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে পারবেন যদি তাঁরা চাই।
যদি কোনো প্রার্থী প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করেন, তাহলে ২০ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) রাষ্ট্রপতি পদে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তফসিল অনুযায়ী বিকেল ৪টা পর্যন্ত সকল প্রার্থীদের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সুযোগ রয়েছে। এরপর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে।
যদি একাধিক প্রার্থী বহাল থাকেন, তাহলে আগামী ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, ওই দিন দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলবে।
পরবর্তীতে সংসদ সদস্যদের কাছে ব্যালট পৌঁছে দেওয়ার পর তাঁরা ব্যালটে স্বাক্ষর করে নির্ধারিত তিনটি ব্যালট বাক্সের যেকোনো একটিতে ভোট দেবেন। ভোট গ্রহণ শেষ হলে বিকেল ৫টায় ভোট গণনা শুরু হবে। মোট ৩৪৯টি ব্যালটের মধ্যে বৈধ ভোটের সংখ্যা এবং প্রত্যেক প্রার্থী কত ভোট পেয়েছেন, তা প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ঘোষণা করবেন।
এরপর সচিবালয়ে নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে।
রাষ্ট্রপতি পদে এবার দুজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বিএনপির পক্ষ থেকে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম প্রার্থী করা হয়েছে। তাঁর মনোনয়নপত্রের প্রস্তাবক হিসেবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান এবং সমর্থক হিসেবে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় রয়েছেন।
অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে।
তাঁর মনোনয়নপত্রের প্রস্তাবক হচ্ছেন ঢাকা-১৫ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং সমর্থক হিসেবে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও এনসিপি নেতা আব্দুল্লাহ আল আমিন কাম।
রবিবার (১৬ আগস্ট) মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও অলি আহমদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে ইসি।
এর আগে গত ২৪ জুলাই ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছিলেন। তাঁর পদত্যাগের পর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের উদ্যোগ নেয় নির্বাচন কমিশন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন